• ক্রিকেট

শহীদুলের ৫ উইকেট, জুনাইদ-নাঈমের অতি সাবধানী ব্যাটিং

দ্বিতীয় দিন শেষে

সেন্ট্রাল জোন ১১৮ ও ১৩৯/২ (পিনাক ৫২*, মজিদ ৬৭)

ইস্ট জোন ৫২.৫ ওভারে ১৮৬ (মাহমুদুল ৪১, অঙ্কন ৩৪; শহীদুল ৫/৬২)


সাউথ জোন ৩২৯ (রকিবুল ৭৯, মাহেদী ৬৩*; সানজামুল ৫/৮৭)

নর্থ জোন ৭১ ওভারে ১৩৬/২ (জুনাইদ ৭০*, নাঈম ৬২*)


বগুড়ায় প্রথম দিন পড়েছিল ১১ উইকেট। দ্বিতীয় দিনেও বিসিএলের ম্যাচে বগুড়ায় পড়ল সেই ১১ উইকেট। অবশ্য দ্বিতীয় ইনিংসে পিনাক ঘোষ ও আবদুল মজিদের দৃঢ়তায় ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোনের বিপক্ষে ভালো অবস্থানেই আছে ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোন। তবে বগুড়ার ঠিক বিপরীত চিত্র চট্টগ্রামে। সেখানে বিসিবি নর্থ জোন ও প্রাইম ব্যাংক সাউথ জোনের ম্যাচে সারাদিনে উইকেট পড়েছে ত্নটি। তার চেয়েও বড় কথা, পুরো দিনে রান রেট ছিল ওভারপ্রতি দুইয়েরও কম!

বগুড়ায় দিনটা নিজের করে নিয়েছেন পেসার শহীদুল ইসলাম। ৩৭ রানে ১ উইকেট নিয়ে দিন শুরু করা ইস্ট জোন শহীদুলের তোপেই অলআউট হয়ে গেছে ১৮৬ রানে। সকালের শুরুটা অবশ্য করেছিলেন সালাউদ্দিন শাকিল, শামসুর রহমানকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ২৬ রানে। এরপর এই মৌসুমে প্রথম বিসিএলে খেলতে নামা মোহাম্মদ আশরাফুল কোনো রান না করেই এলবিডব্লু হয়ে যান শহীদুলের বলে। এরপর দলের ৭৩ রানে তাসামুল হককেও হারায় ইস্ট জোন। মাহমুদুল হাসান ও মাহিদুল অংকন একটু হাল ধরার চেষ্টা করেছিলেন, তবে দুজনের জুটিটা ৫০ রানের বেশি হয়নি। ৩৪ রান করে আউট হয়েছেন অংকন, এরপর ৪১ রানে ফিরেছেন মাহমুদুলও। ইস্ট জোন এরপর নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারাতে শুরু করে। আগের ম্যাচে পেয়েছিলেন ৫ উইকেট, আজ ক্যারিয়ারে মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো তা পেলেন। তবে ১৮৬ রানে অলআউট হয়েও প্রথম ইনিংসে ৬৮ রানের লিড নিয়েছে ইস্ট জোন।

সেই লিড দিন শেষে কমিয়ে এনেছে সেন্ট্রাল জোন। পিনাক ঘোষ ও আবদুল মজিদের ফিফটিতে ৩৯.১ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে তুলে ফেলেছে ১৩৯। মজিদ দিনের শেষ বলে ৬৭ রানে অলআউট হয়ে গেলেও পিনবাক অপরাজিত ৫২ রানে। সেন্ট্রাল জোনের লিড হয়ে গেছে ৭১, হাতে আছে ৮ উইকেট।

অন্য ম্যাচে ৯ উইকেটে ২৮০ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিল সাউথ জোন। শেষ উইকেটে আরও ৪০ রান যোগ করে অলআউট হয়েছে ৩২৯ রানে। ৯০ বলে ৬৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার মাহেদী হাসান। ৮৭ রানে ৫ উইকেট পেয়েছেন সানজামুল ইসলাম।

বিসিবি নর্থ জোন অবশ্য বাকি দিনে মাত্র দুইটি উইকেট হারিয়েছে। ১০ রানের ভেতরেই ফিরে গেছেন রিশাদ হোসেন ও ফরহাদ হোসেন। এরপর জুনাইদ সিদ্দিকী ও নাঈম ইসলাম বাকি দিনে আর কোনো উইকেট পড়তে দেননি। তবে ৭১ ওভারে তুলেছেন ১৩৬ রান, ওভারপ্রতি দুইয়েরও কমে। ১৯৬ বলে ৭০ রানে অপরাজিত ছিলেন জুনাইদ, আর নাঈম ২০৮ বল খেলে অপরাজিত আছেন ৬২ রানে।  নাঈম অবশ্য চার মেরেছেন চারটি, জুনাইদের ইনিংসে চার ছিল মাত্র একটি।