• ওয়েস্ট ইন্ডিজ-ইংল্যান্ড সিরিজ
  • " />

     

    চেজের ঘূর্ণিজাদুতেই কুপোকাত ইংল্যান্ড

    চেজের ঘূর্ণিজাদুতেই কুপোকাত ইংল্যান্ড    

    স্কোর

    ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৮৯ ও ৪১৫/৬ ডিক্লে

    ইংল্যান্ড ৭৭ ও ৮০.৪ ওভারে ২৪৬ ( বার্নস ৮৪, স্টোকস ৩৪; চেজ ৮/৬০, জোসেফ ১/৩৫)

    ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৮১ রানে জয়ী

     

     

     

    প্রথম ইনিংসে তিনি বোলিংই করেননি। সেই রস্টন চেজই কিনা দ্বিতীয় ইনিংসে নিলেন আট উইকেট! ৬২৮ রানের বিশাল লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪৬ রানেই গুটিয়ে গেল ইংল্যান্ড। জেসন হোল্ডারের অবিশ্বাস্য ডাবল সেঞ্চুরির পর চেজের ঘূর্ণিজাদুতেই ব্রিজটাউন টেস্টে ইংল্যান্ডকে ৩৮১ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ক্যারিবিয়ানরা।

    পিচে খুব একটা স্পিন ধরেনি প্রথম তিন দিনে। কাল চতুর্থ দিনেও আহামরি কোনো টার্ন করাতে পারেননি চেজ। কিন্তু যেটুক করেছে, অতটুকুতেই কুপোকাত ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা। দিনের খেলা শুরুর নবম ওভারে প্রথম আঘাত আনেন আলজারি জোসেফ। স্লিপে দাঁড়ানো হোল্ডারের দারুণ এক ক্যাচে ফেরেন কেটন জেনিংস। এরপর জনি বেইরস্টোকে নিয়ে ৪৯ রানের জুটি গড়েন রোরি বার্নস। লাঞ্চের ঠিক আগের বলে ৮৪ রান করা বার্নসকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন চেজ।

    লাঞ্চের পর প্রথম ওভারেই ফিরতে পারতেন জো রুট, শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের বলে আউট হলেও নো-বলের কল্যাণে বেঁচে যান ইংলিশ অধিনায়ক। দুই ওভার পরেই বেইরস্টোকে ফেরান সেই গ্যাব্রিয়েলই। ৩০ রান করা বেইরস্টো উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন পুল করতে গিয়ে।

    পরের গল্পটা শুধুই চেজের। ইংল্যান্ডের বাকি সাত উইকেট নিয়েছেন তিনি একাই। রুট, বেন স্টোকস, জস বাটলার; ক্রিজে থিতু হওয়ার আভাস দিয়েছিলেন সবাই। ২২ রানে রুট, ৩৪ রানে স্টোকস ও ২৬ রানে বাটলারকে ফিরিয়ে চতুর্থ দিনেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় নিশ্চিত করেন চেজ। ইংল্যান্ড শেষ পাঁচ উইকেট হারিয়েছে ৩১ রানের ব্যবধানে।

    শেষ পর্যন্ত ৬০ রানে আট উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপকে একাই ধসিয়ে দিয়েছেন চেজ। প্রথম ইনিংসে ৭৭ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডের ইনিংস থেমেছে ২৪৬ রানে। ৩৮১ রানে জিতেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, টেস্টে রানের হিসেবে এটি তাদের তৃতীয় বড় জয়। আর ঘরের মাটিতে রানের হিসেবে এটাই তাদের সবচেয়ে বড় জয়।

    ২০১৮ সালটা অসাধারণ কেটেছিল রুটদের। ২০১৯ সালের শুরুটাই হলো বিশাল হারে। এই হারের ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়াতে পারে কিনা ইংল্যান্ড, সেটা জানা যাবে ৩১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া অ্যান্টিগা টেস্টে।