• ক্রিকেট

স্টোকস-বাটলারে ইংল্যান্ডের প্রতিরোধ

স্কোর

প্রথম দিন শেষে

ইংল্যান্ড ৮৩ ওভারে ২৩১/৪ ( বাটলার ৬৭*, স্টোকস ৬২*; পল ২/৪২, গ্যাব্রিয়েল ১/৪৪)

 

বেন স্টোকস মাত্র ফিফটি পূর্ণ করেছেন। ৬৯ ওভারের শেষ বলে আলজারি জোসেফকে সজোরে মারতে গেলেন স্টোকস, বল সোজা এলো জোসেফের হাতেই। ক্রিজে থিতু হওয়া স্টোকসকে ফিরিয়ে তখন আনন্দে ভাসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আউট হয়ে স্টোকসও চলে গেছেন ড্রেসিংরুমে। এরপরই নাটকের শুরু। রিপ্লেতে দেখা গেলো, জোসেফের বলটা আসলে নো-বল ছিল! দুই আম্পায়ার ড্রেসিংরুম থেকে ডেকে পাঠালেন স্টোকসকে। ক্যারিবিয়ানরা যেন এটা বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না! স্টোকসের মতো কাল ভাগ্য সহায় হয়েছে ইংল্যান্ডেরও। স্টোকস-বাটলারে সেন্ট লুসিয়াতে শেষ টেস্টের প্রথম দিনটা তাই ইংল্যান্ডেরই।

প্রথম দুই টেস্ট হেরে সিরিজ এরই মাঝে হাতছাড়া হয়েছে। হোয়াইটওয়াশ হওয়া থেকে বাঁচাই এখন একমাত্র লক্ষ্য ইংলিশদের। টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম এক ঘণ্টা কোনো বিপদ ছাড়াই পার করেছিলেন দুই ইংলিশ ওপেনার। কেটন জেনিংসকে অবশ্য শুরু থেকেই নড়বড়ে লাগছিল। ৮ রান করার পরই বিদায় নেন জেনিংস। কেমো পলের প্রথম বলেই স্লিপে ড্যারেন ব্রাভোর হাতে ক্যাচ দিয়েছেন জেনিংস।

আরেক ওপেনার রয় বার্নস জো ডেনলিকে সাথে নিয়ে লাঞ্চ পর্যন্ত টিকে ছিলেন। লাঞ্চের পরপরই পাঁচ বলের ব্যবধানে দুইজনই ফেরেন প্যাভিলিয়নে। ২৯ রান করা বার্নসকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেছেন পল। শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের বলে এলবিডব্লিউ হয়েছেন ডেনলিও, ফেরার আগে করেছেন ২০ রান। চা বিরতির ঠিক আগে অধিনায়ক জো রুটকে ফেরান জোসেফ। শন ডাওরিচের হাতে ক্যাচ দিয়ে আবার হতাশা উপহার দিয়েছেন ১৫ রান করা রুট।

১০৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে তখন বেশ চাপেই ছিল ইংল্যান্ড। পঞ্চম উইকেটে দলের হাল ধরেন স্টোকস ও জস বাটলার। দুজনের দুর্দান্ত প্রতিরোধে দিনের বাকিটা সময় আর কোনো উইকেট হারায়নি ইংল্যান্ড। ক্যারিবিয়ান বোলারদের হতাশ করে দুজনেই পেয়েছেন ফিফটি। ভাগ্যও যথেষ্ট সহায় ছিল স্টোকসের। ৫২ রানে আউট হয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরলেও জোসেফের নো-বলের কারণে মাঠে ফিরে আসেন তিনি।

আলোকস্বল্পতার কারণে সাত ওভার আগেই দিনের খেলা বন্ধ ঘোষণা করেন আম্পায়ার। দ্বিতীয় দিনে স্টোকস-বাটলারের ১২৪ রানের জুটিটা আরও বড় হবে, দুজনেই সেঞ্চুরি পেয়ে দলকে বড় স্কোর এনে দেবেন, এমন প্রত্যাশাতেই আছেন ইংল্যান্ড সমর্থকরা।