• ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ
  • " />

     

    • ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ

    প্রিমিয়ার লিগ- প্রথম দিনে উত্তরা-চমক

    ওয়ালটন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের প্রথম দিন চমক দেখিয়েছে উত্তরা স্পোর্টিং ক্লাব। প্রিমিয়ার লিগের নবাগত দলটি হারিয়ে দিয়েছে কদিন আগেই প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়া শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে। ফতুল্লায় ম্যাচটি গিয়েছিল শেষ বল পর্যন্ত। রোমাঞ্চকর শেষ হয়েছে ব্রাদার্স ইউনিয়ন ও লিজেন্ডস অফ রুপগঞ্জের ম্যাচেও, যেখানে ১ বল বাকি থাকতে ৩ উইকেটে জিতেছে রুপগঞ্জ। আরেক ম্যাচে বিকেএসপিকে উড়িয়ে দিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিটেড, জহুরুল ইসলাম করেছেন সেঞ্চুরি। 

     

     

    ফতুল্লা 
    উত্তরা স্পোর্টিং ক্লাব ২৪৯/৪, ৫০ ওভার 
    শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ২৪০/৯, ৫০ ওভার 
    উত্তরা ৯ রানে জয়ী 

    ফতুল্লায় টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা উত্তরা করেছিল ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ২৪৯ রান, তানজিদ হাসানের ৬৪ ও সজিব হাসানের অপরাজিত ৬১ রানের ইনিংসে ভর করে। আনিসুল ইসলাম ইমনের সংগে ওপেনিংয়েই তানজিদ তুলেছিলেন ১১৩ রান। তানভীর হায়দার ২ উইকেট নিয়েছিলেন মাত্র ২২ রানে, ৭ ওভারে। জবাবে নুরুল হাসানের সমানসংখ্যক বলে ৬৫, নাসির হাসানের ৭৮ বলে ৪৮, জিয়াউর রহমান ও ইলিয়াস সানির ২০-পেরুনো ইনিংসের পরও শেখ জামাল থেমেছে ২৪০ রানেই। ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন আব্দুর রশিদ ও আসাদুজ্জামান পিয়াল। এ ম্যাচে লিস্ট ‘এ’ অভিষেক হয়েছে সাতজন উত্তরা ক্রিকেটারের। 


    মিরপুর
    আবাহনী লিমিটেড ২১৬/৯, ৫০ ওভার 
    বিকেএসপি ১৫৬, ৪০.৫ ওভার
    আবাহনী ৬০ রানে জয়ী 

    জহুরুল ইসলাম করেছেন অপরাজিত ১২১, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৮০ বলে ৫৫। আবাহনীর এরপরের সর্বোচ্চ ইনিংস মোসাদ্দেক হোসেনের- ১৩। মিরপুরে প্রথমে ফিল্ডিং করা বিকেএসপি আবাহনীকে বেঁধে দিয়েছিল ২১৬ রানেই। জহুরুল খেলেছিলেন ১৪৭ বল, ১৩ চারের সঙ্গে মেরেছেন ১টি ছয়। আবু নাসের ৩ উইকেট নিয়েছেন ৩৯ রানে, হাসান মাসুদ ২টি নিয়েছেন ৫৪ রানে। জবাবে শুরু থেকেই উইকেট হারিয়েছে বিকেএসপি, শুরুতে রাতুল খানের ৩৭ রানের পর অধিনায়ক আব্দুল কাইয়ুমের ৩৮ রানের ইনিংসই হাইলাইটস তাদের। আবাহনী ব্যবহার করেছে ৭ জন বোলার, উইকেট নিয়েছেন সবাই। বিকেএসপির সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা করেছেন বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম, ৩০ রানে ৩ উইকেট নিয়ে। 


    বিকেএসপি
    ব্রাদার্স ইউনিয়ন ২২০/৮, ৫০ ওভার 
    লিজেন্ডস অফ রুপগঞ্জ ২২১/৭, ৪৯.৫ ওভার 
    রুপগঞ্জ ৩ উইকেটে জয়ী

    ইয়াসির আলির ৬৫, শরিফুল্লাহর ৩৫, ফজলে মাহমুদের ৩৪ রানের পর টেইল-এন্ডারদের অবদানে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ব্রাদার্স তুলেছিল ২২০ রান। ইয়াসির ও শরিফুল্লাহ ৬ষ্ঠ উইকেটে যোগ করেছিলেন ৯০ রান। মুক্তার আলি ও নাবিল সামাদ নিয়েছেন ২টি করে উইকেট, একটি করে নিয়েছেন মোহাম্মদ শহিদ, ঋষি ধাওয়ান ও আসিফ হাসান। রুপগঞ্জকে রানতাড়ায় ভাল শুরু এনে দিয়েছিলেন ওপেনার আজমির আহমেদ ও মোহাম্মদ নাঈম, ১১.২ ওভারে ৬৭ রান তুলে। এরপর একদিকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে রুপগঞ্জ, তবে আরেকদিকে অবিচল ছিলেন শাহরিয়ার নাফীস। ৭ম ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি আউট হয়েছেন ৯৮ বলে মাত্র ২ চারে ৫৯ রানে। মুক্তার আলির ৭ বলে ১১ রানের ছোট ক্যামিওতে এক বল বাকি থাকতে এরপর জয় নিশ্চিত করেছে রুপগঞ্জ। ৬৪ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন চিরাগ জানি, শরিফ ২ উইকেট নিয়েছেন ৩৫ রানে।