• ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৯
  • " />

     

    ফেভারিট না হওয়াটাই শাপেবর দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য!

    ফেভারিট না হওয়াটাই শাপেবর দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য!    

    প্রতি বিশ্বকাপের আগেই কাগজে কলমে ফেভারিটদের তালিকায় শুরুর দিকে থাকে তাদের নাম। তবে নকআউট পর্বে গিয়ে থামাটাই প্রতিবার তাদের নিয়তি। এবার দক্ষিণ আফ্রিকার নাম হয়তো অতটা জোরেশোরে শোনা যাচ্ছে না। কিন্তু কম প্রত্যাশাই ফাফ ডু প্লেসিদের 'প্লাস পয়েন্ট' হিসেবে দেখছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তী গ্যারি কারস্টেন। এবার কিছুটা চাপমুক্ত থাকায় নিজেদের সামর্থ্যের জানানটা ভালোভাবেই দিতে পারবে 'প্রোটিয়াস'রা- বিশ্বাস কারস্টেনের।

    অবশ্য 'ফেভারিট' তকমার চাপ না থাকায় স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারার কথা বললেও বিশ্বকাপে ডু প্লেসিরা কতদূর যাবেন, তা নিজেও জানেন না কারস্টেন, 'বিশ্বকাপের মত টুর্নামেন্টে ফেভারিট হয়ে আসাটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং এটা অতিরিক্ত একটা চাপ সৃষ্টি করে খেলোয়াড়দের মনে, অনেক সময় এ কারণেই নিজেদের সেরাটা দিয়ে উঠতে পারে না তারা। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা ফেভারিট নয়। আমার মনে হয় অতিরিক্ত চাপ না থাকায় এবারই নিজেদের মেলে ধরতে পারবে তারা।'

     

     

    ২০১৫ বিশ্বকাপে 'প্রোটিয়া'দের হয়ে জাত চিনিয়েছিলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স এবং মরনে মরকেল। কিন্তু এবার তাদের অভিজ্ঞতা পাচ্ছে না দক্ষিণ আফ্রিকা, অবসর নিয়েছেন দুজনই। তবে নিজ দেশকে ফেভারিট না বললেও শক্তিমত্তায় পিছিয়ে রাখছেন না তিনি, 'দক্ষিণ আফ্রিকার পাইপলাইন বেশ শক্তিশালী। তরুণ প্রতিভাবান ক্রিকেটারের অভাব নেই আমাদের। যে কারও সঙ্গেই টক্কর দিতে পারি আমরা। এখন দরকার মাঠের পারফরম্যান্স।'

     

     

    বিশ্বকাপে ২২ গজে দলীয় অর্জন নেই, কিন্তু কোচ হিসেবে ভারতকে ২০১১ এনে দিয়েছিলেন শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট। ইংল্যান্ডে বিশ্বকাপ শুনলেই মনে পড়ে যায় ১৯৯৯ বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল, ল্যান্স ক্লুজনারের জাদুতে হাতের মুঠোয় চলে আসা ম্যাচ ফসকে যাওয়ায় বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলা হয়নি তাদের। দুর্ভাগা সে দলের ওপেনার ছিলেন কারস্টেন। প্রায় দুই দশক পরও সে ক্ষত যে এখনও শুকোয়নি, তা বোঝা গেল কারস্টেনের হতাশায়, 'সেবারের দলটা দারুণ ছিল আমাদের, আমরা খেলছিলামও ভাল। জুলু (ক্লুজনার) অসাধারণ খেলেছিল, সেবারের সেরা খেলোয়াড়ও ছিল সে। কিন্তু অল্পের জন্য ফাইনালে যাওয়া হয়নি আমাদের। জুলুর জন্যই সবচেয়ে বেশি খারাপ লেগেছিল। '

    সেবারের মতো এবারও বিশ্বকাপ ইংল্যান্ডে। তবে এবার স্বাগতিকেরা শেষ পর্যন্ত যেতে পারবে বলে মনে করছেন কারস্টেন, 'শক্তিমত্তার বিচারে বড় সব দলই ফাইনাল খেলার সামর্থ্য রাখে। সাম্প্রতিক ফর্মে বিচারে ইংল্যান্ডকেই এগিয়ে রাখব।'