• টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
  • " />

     

    থাইল্যান্ডকে উড়িয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ উইমেন ১৩০/৫, ২০ ওভার (সানজিদা ৭১*, মুরশিদা ৩৩, বুচাথাম ২/৩১)
    থাইল্যান্ড উইমেন ৬০/৭, ২০ ওভার (পাদুনগ্লারদ ১৫*, শাইলা ২/৯, সালমা ১/৪) 
    বাংলাদেশ উইমেন ৭০ রানে জয়ী 


    থাইল্যান্ড উইমেনকে উড়িয়ে দিয়ে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ উইমেন। টানা দ্বিতীয়বার এ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ। সেমিফাইনাল জিতেই বিশ্বকাপ খেলা নিশ্চিত হয়েছিল বাংলাদেশের, ফাইনাল জেতার ফলে তাদের টুর্নামেন্টে অপরাজিত থাকার রেকর্ডটাও বহাল থাকলো তাই। 

    দুই ওপেনার সানজিদা খাতুন ও মুরশিদা আকতারের যথাক্রমে ৭১ ও ৩৩ রানের ইনিংসে ভর করে ২০ ওভারে ১৩০ রান তোলা বাংলাদেশ পরে থাইল্যান্ডকে আটকে দিয়েছে মাত্র ৬০ রানেই। নাহিদা আকতার ও শাইলা শারমিন নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। 

    এ টুর্নামেন্টে সারপ্রাইজ প্যাকেজ ছিল থাইল্যান্ড, ফাইনালে উঠার মাধ্যমে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো খেলার সুযোগ করে নিয়েছিল তারা। বাংলাদেশ অবশ্য ছিল ফেভারিটই, সেমিফাইনালে পাত্তা পায়নি আয়ারল্যান্ডও। টসে জিতে ব্যাটিং নিয়ে বাংলাদেশের শুরুটাও ছিল দাপুটে। 

    পাওয়ারপ্লেতেই দুই ওপেনার তুলেছিলেন ৪১ রান। দুজনের জুটি ভেঙেছে ১১তম ওভারে গিয়ে, ৩৪ বলে ৪ চারে ৩৩ রান করে আড়াআড়ি খেলতে গিয়ে বোল্ড হয়েছেন মুরশিদা। ততক্ষণে অবশ্য এ জুটিতে উঠেছে ৬৮ রান। 

    অন্যদিকে সানজিদা ছিলেন দুর্দান্ত, মিড-উইকেট ও লং-অন দিয়ে ৩টি ছয়সহ ইনিংসে মেরেছেন ৬টি চার। ফিফটি পূর্ণ করেছেন ৪৭ বলে, শেষ পর্যন্ত ছিলেন অপরাজিত। তার ৭১ রানের ইনিংসই বাংলাদেশ উইমেনের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ইনিংস। মাঝে নিগার সুলতানা ও শেষ ওভারে গিয়ে জাহানারা আলম ও ফাহিমা খাতুন আউট হলেও থাইল্যান্ডের জন্য পাহাড়-ডিঙানো এক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছিল বাংলাদেশ। 

     

     

    থাই মেয়েরা সে চ্যালেঞ্জে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে শুরুতেই। পাওয়ারপ্লেতে ১৩ রান তুলতেই তারা হারিয়েছে ৩ উইকেট। এরপর ৪৩ রানে তারা হারিয়ে বসে ৭ম উইকেট, অবশ্য এরপর আর উইকেট হারায়নি তারা। শেষদিকে রতানাপর্ন পাদুনগ্লারদের ১৪ বলে ১৫ রানের ইনিংসই যা একটু আনন্দের উপলক্ষ্য এনে দিয়েছে তাদের। 

    ৭ জন বোলার ব্যবহার করেছে বাংলাদেশ উইমেন। নাহিদা ও শাইলা ২ উইকেট নিয়েছেন যথাক্রমে ১৭ ও ৯ রান দিয়ে। ১টি করে উইকেট নিতে সালমা ও খাদিজা খরচ করেছেন যথাক্রমে ৪ ও ৮ রান। সালমার ইকোনমি ছিল ১, ২ ওভার বোলিং করা জাহানার ইকোনমি ছিল ১.৫০। 

    চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ফলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ পড়েছে ‘এ’ গ্রুপে- অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের সঙ্গে। অন্য গ্রুপে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে খেলবে থাইল্যান্ড।