• বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    বিতর্কিত গোলে রহমতগঞ্জ বাধা টপকে গেল আবাহনী

    ফুলটাইম
    আবাহনী ১-০ রহমতগঞ্জ


    রহমতগঞ্জ বাধা এবার পেরিয়ে গেছে আবাহনী লিমিটেড। তবে কঠিন পরীক্ষা দিয়ে উতরাতে হয়েছে মারিও লেমোসের দলকে। ৫৫ মিনিটে নাবিব নেওয়াজ জীবনের একমাত্র গোল ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিয়েছে। তবে সেই গোল নিয়েই যত বিতর্ক।

    রহমতগঞ্জের দাবি জীবন ছিলেন অফসাইডে, সেটা নিয়ে গোলের পরই মাঠের ভেতর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে এক চোট হাতাহাতি হয়ে গেছে দুই দলের। মামুনুল ইসলামের ফ্রি-কিক বক্সের ভেতর গিয়ে পড়েছিল, এর পর কেরভেন্স বেলফোর্টের ফ্লিক থেকে আরেক হেডে নাবিব নেওয়াজ জীবন করেছেন গোলটি। সহকারি রেফারি মনির ঢালীর কাছে গিয়ে পুরো রহমতগঞ্জ দল প্রতিবাদ জানিয়েছে, সেই উত্তাপ পড়েছে দুই দলের ডাগ আউটেও। আর দুই দলের হাতাহাতিতে জড়িয়েছে তখনই।

    জীবনের গোলটি অফসাইড ছিল কী না সেটি নিশ্চিত করে বলা যাবে না। তবে ভিডিও রিপ্লেতে স্পষ্টই দেখা গেছে বেলফোর্টে বলে হেড করার আগেই জীবন চলে গিয়েছিলেন অফসাইড পজিশনে। অবশ্য বাংলাদেশে প্রিমিয়ার লিগের সম্প্রচারের যে মান তাতে একেবারে নিশ্চিত করে কোনো কিছু বলাও তো কঠিন!


    ম্যাচের ডেডলক ভাঙতে খানিকটা দেরি হলেও, আবাহনী এর আগে বেশ কয়েকবার রহমতগঞ্জকে অশনী সংকেত দিয়ে রেখেছিল। প্রথমার্ধে আবাহনী এগিয়ে যেতে পারেনি আসলে রাসেল মাহমুদ লিটনের জন্য। দুইবার জীবনের বক্সের বাইরে থেকে করা শট তখন ঠেকিয়ে দিয়েছেন রহমতগঞ্জ গোলরক্ষক। দ্বিতীয় দফায় অবশ্য জীবনের শট সেভ করার পরও বল হাত দস্কে বেরিয়ে গিয়েছিল। তখন সানডে চিজোবা ফাঁকা বারেও লক্ষ্য মিস করে সুযোগ হাতছাড়া করেন।

    দ্বিতীয়ার্ধেও পরে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন লিটন। ফেডারেশন কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে টাইব্রেকারে এই লিটনের কাছে হেরে বাদ পড়েছল আবাহনী। প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে আরও ৪টি দুর্দান্ত সেভ করে আবাহনীকে এগিয়ে যেতে দেননি রহমতগঞ্জ গোলরক্ষক।

    দ্বিতীয়ার্ধের একেবারে শুরুতে এডগার আর সানডেকে একই আক্রমণ থেকে ঠেকে দিয়েছিলেন লিটন। পরে সানডে আরও একবার গোলবঞ্চিত হয়েছেন লিটনের সেভেই। রহমতগঞ্জ অবশ্য পিছিয়ে যাওয়ার পর দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিল ম্যাচে। একপেশে ম্যাচে বলার মতো গোলের সুযোগ ওই একবারই পেয়েছিল রহমতঞ্জ। শাহেদের ফ্রি-কিক থেকে দূরের পোস্টে তখন ইউনুসা কামারার হেড অল্পের জন্য চলে যায় বাইরে দিয়ে।  

    এক গোলের জয় হলেও ম্যাচে গোল তৈরিতে ভুগতে হয়নি আবাহনীকে। আগের ম্যাচে ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে ড্রয়ের পর হতাশা ভোলার একটা উপলক্ষ্যও পেলেন লেমোস। পরের ম্যাচেই মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে খেলবে আবাহনী। যত যাই হোক, ঢাকা ডার্বির আগে বাড়তি চাপে পড়তে হচ্ছে না লেমোসকে।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন