• পাকিস্তানের ইংল্যান্ড সফর ২০২০
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    টেস্ট ক্রিকেটে ফিরতে চান ওয়াহাব রিয়াজ

    ইংল্যান্ড সফরে সুযোগ পেলে পাকিস্তানের হয়ে আবারও টেস্ট ক্রিকেটে ফিরতে চান ওয়াহাব রিয়াজ। গত বছর এই ফরম্যাট থেকে অনির্দিষ্টকালের বিরতি নিয়েছিলেন তিনি। ইংল্যান্ড সফরের জন্য পাকিস্তানের ক্যাম্পে ডাক পাওয়া ২৯ জন ক্রিকেটারের মধ্যে আছেন রিয়াজ, যাদেরকে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ সামনে রেখে ডাকা হয়েছে। এক ভিডিও কনফারেন্সে আবারও টেস্ট খেলার আগ্রহের কথা জানিয়ে রিয়াজ বলেছেন, পাকিস্তানের হয়ে খেলাকেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেন তিনি সবসময়। 

    “ইংল্যান্ড সফরের অংশ হতে পেরে আমি খুবই রোমাঞ্চিত। আপনারা জানেন, এ সফর একটু আলাদা পরিস্থিতিতে হচ্ছে। পিসিবি আমাকে ডেকে বলেছে, প্রয়োজন পড়লে আমি টেস্ট খেলার জন্য প্রস্তুত কিনা। আমি সঙ্গে সঙ্গেই হ্যাঁ বলে দিয়েছি। কারণ আমার মূল লক্ষ্য পাকিস্তানের হয়ে খেলা”, বলেছে রিয়াজ। 

    গত বছর টেস্ট ক্রিকেট থেকে অনির্দিষ্টকালের বিরতি নেওয়ার পর পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে অবনমন ঘটেছিল তার, শেষ পর্যন্ত বাদই পড়েছিলেন। সঙ্গে মোহাম্মদ আমির টেস্টকে বিদায় বলেছেন, দুজনই পড়েছিলেন সমালোচনার মুখে। ৩৪ বছর বয়সী রিয়াজের সীমিত ওভারে জায়গাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। 

    প্রায় ১২ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে পাকিস্তান স্কোয়াডে খুব একটা নিয়মিত হতে পারেননি এই পেসার। সব মিলিয়ে ২৭টি টেস্টের সঙ্গে খেলেছেন ৮৯টি ওয়ানডে ও ৩১টি টি-টোয়েন্টি। এর আগে সাবেক হেড কোচ মিকি আর্থার তার পরিশ্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন, রিয়াজ ম্যাচ জেতাতে পারেন না, বলেছিলেন এমনও।
     


    গত বছর টেস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের বিরতিতে গিয়েছিলেন রিয়াজ


    টেস্ট থেকে নিজের বিরতি নেওয়ার কারণ হিসেবে রিয়াজ বলেছেন দল থেকে বাদ পড়ার ব্যাপারটিই, “২০১৬ থেকে ২০১৯-এর মাঝে আমি মাঝে মাঝে খেলেছি। তবে শ্রীলঙ্কায় পারফর্ম করার পরও পরের সফরে নেওয়া হয়নি আমাকে। অস্ট্রেলিয়া সফরের মাঝপথে ডাকা হয়েছে, এরপর আবার টিম ম্যানেজমেন্ট আমাকে ফেরত পাঠিয়েছে। এসবের কারণেই আমার মনে হয়েছে, আমি হয়তো টেস্ট খেলার যোগ্য না।” 

    তবে মিসবাহ-উল-হক ও ওয়াকার ইউনুস (যথাক্রমে পাকিস্তানের হেড ও বোলিং কোচ) আসার আগে থেকেই এসব হয়েছে বলে দাবি তার, “তারা আসার আগেই এসব ঘটেছে। পিসিবির উচ্চ পর্যায়ের কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যেহেতু তখন আমি খুব বেশি টেস্ট খেলছিলাম না, ফলে স্বেচ্ছায় এই ফরম্যাট থেকে দূরে থেকে সাদা বলের ক্রিকেটে মনযোগ দিতে চাই।”  

    সে সময় ম্যানেজমেন্টই তাকে পাকাপাকিভাবে টেস্ট থেকে অবসর না নিতে বলেছিল, সেসব আলোচনার প্রেক্ষিতেই এখন ফিরে আসতে পেরেছেন বলেও মনে করেন রিয়াজ। 

    “আমি কখনই এমন কোনও সিদ্ধান্ত নিই না, যেটার কারণে পরে আক্ষেপ করতে হয়। যখন তারা তারা এ সফরের ব্যাপারে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলো, আমি অতকিছু না ভেবেই রাজি হয়েছি, কারণ পাকিস্তানকে প্রতিনিধিত্ব করার একটা সুযোগ এটি। গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে, তাদের আমাকে প্রয়োজন। এবং আমি প্রস্তুত।” 

    কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়া নিয়ে হতাশ না হলেও পরবর্তী বছর সেটি ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করবেন, রিয়াজ জানিয়েছেন এমন। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন