• পাকিস্তানের ইংল্যান্ড সফর ২০২০
  • " />

     

    ১০ বছর ২৫৯ দিন পর আবারও টেস্ট খেলছেন ফাওয়াদ আলম

    ফাওয়াদ আলম যখন টেস্ট অভিষেক করেন, পাকিস্তানের অধিনায়ক ছিলেন ইউনুস খান। খেলেছিলেন মিসবাহ-উল-হক। তার দ্বিতীয় টেস্টেও তাই। তৃতীয় টেস্টে মোহাম্মদ ইউসুফ ছিলেন অধিনায়ক, ইউনুসকে তখন নিষিদ্ধ করেছে পিসিবি। সেই ইউনুস ফিরে এসেছেন, আরও প্রায় ৫ হাজার রান করে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান-সংগ্রাহক হিসেবে অবসর নিয়েছেন। এরপর হয়েছেন ব্যাটিং কোচ। মিসবাহ এর আগেই হয়েছেন পাকিস্তানের হেড কোচ ও প্রধান নির্বাচক। পাকিস্তান খেলে ফেলেছে আরও ৮৮ টেস্ট, ফাওয়াদ আর টেস্ট খেলেননি। 

    সেই ফাওয়াদ ফিরলেন। পাকিস্তানের টেস্ট একাদশে আবারও সুযোগ পেলেন প্রায় ১১ বছর পর! সাউদাম্পটনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট খেলছেন এই বাঁহাতি। 

    শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অভিষেক টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসেই সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন ফাওয়াদ। সে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের পর নিউজিল্যান্ড সফরে খেলেছিলেন আরেকটি। ৩ ম্যাচে ৪১.৬৬ গড়ে ২৫০ রান- ফাওয়াদের ক্যারিয়ার থমকে গিয়েছিল সেখানেই। এরপর ২০১৫ সালে পাকিস্তানের হয়ে শেষ খেলেছিলেন। তবে ক্রমাগত ঘরোয়া ক্রিকেটে রান করে গেছেন, নিজের দাবিটা জানিয়ে গেছেন বারবার। এর আগে তাকে দলে না নেওয়াতে বেশ সমালোচনার মুখেও পড়েছিলেন তখনকার প্রধান নির্বাচক ইনজামাম-উল-হক।

    শেষ গত বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেই স্কোয়াডে ডাকা হয়েছিল তাকে দেশের মাটিতে, তবে শেষ পর্যন্ত খেলানো হয়নি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচেও শাদাব খানের ব্যাটিং সামর্থ্যের কথা ভেবে দুই স্পিনার নিয়ে নেমেছিল পাকিস্তান, ফাওয়াদের সুযোগ মেলেনি। এবার শাদাবের বদলে নেওয়া হয়েছে তাকে।

    ডানেডিনে নিজের শেষ টেস্টের পর ১০ বছর ২৫৯ কেটে গেছে ফাওয়াদের আরেকটি টেস্টের আগে। পাকিস্তানের হয়ে তার চেয়ে বেশি সময় বিরতি দিয়ে টেস্ট খেলেছেন শুধু একজন-- ইউনিস আহমেদ। ১৯৮৭ সালে খেলতে নামার আগে শেষ টেস্ট খেলেছিলেন তিনি ১৯৬৯ সালে। 

    অবশ্য এ শতাব্দিতে ফাওয়াদের চেয়ে সব মিলিয়ে লম্বা বিরতিতে ‘এগিয়ে’ আছেন একজনই। ২০০৩ সালে অভিষেক করা ইংলিশ অফস্পিনার গ্যারেথ ব্যাটি ২০০৫ সাল পর্যন্ত খেলেছিলেন ৭টি টেস্ট, ৭ম টেস্টটি ছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে। এরপর বাদ পড়েন। ১১ বছর ১৩৭ দিন পর ফিরেছিলেন ব্যাটি, বাংলাদেশের বিপক্ষেই। দ্বিতীয় দফাই খেলেছিলেন ২ টেস্ট।

    সব মিলিয়ে অবশ্য রেকর্ডটা বেশ লম্বা। ১৯৯২ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের অভিষেক টেস্টে খেলেছিলেন জন ট্রাইকোস। এর আগে শেষ খেলেছিলেন যখন, তখন জিম্বাবুয়ে নামের দেশই ছিল না! দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ১৯৭০ সালে ৩টি টেস্ট খেলেছিলেন ট্রাইকোস। তার এই দুই টেস্টের মাঝে বিরতি ছিল ২২ বছর ২২২ দিন! 


     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন