• ক্রিকেট

জয়ের সুবাস পাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা

সংক্ষিপ্ত স্কোর (৩য় দিনশেষে)

দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৯২ এবং ৫১. ওভারে ২২৪/৭ (এলগার ৫৫, ডু প্লেসি ৪১; লাকমল ৪/৬৯)

শ্রীলংকা ১১০ এবং ৪০ ওভারে ১৩০/৪ (ম্যাথিউস ২৯*, সিলভা ২৯; রাবাদা ২/২২, ফিলান্ডার ২/৩৪)


 

প্রথমে দ্রুত গতিতে রান নিয়ে ৩১৭ রানের লিডটা বাড়িয়ে নেওয়া, পরে বিপক্ষকে ব্যাট করতে নামিয়ে বেশ কিছু উইকেট তুলে নেওয়া। দুই চেষ্টাতেই গত দিনের মত আজো পুরোপুরি সফল দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি। তাই তৃতীয় দিনশেষে প্রায় নিশ্চিত পরাজয়ের মুখেই আছে প্রতিপক্ষ শ্রীলংকা। জেতার জন্য দরকার ৩৭৭ রান, হাতে আছে মাত্র ৬টি উইকেট।

৩১৭ রানে এগিয়ে থেকে দুই ওপেনার কুক আর এলগার শুরুটা করেছিলেন ভালোই। কিন্তু ৬৪ রানে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে একই ওভারে দুবার আঘাত হানেন লাকমল। প্রথমে কুক আর ৪ বল পরেই শুন্য রানে ফেরান হাশিম আমলাকে। আরও একবার ব্যর্থ আমলা,  গত ১০ ইনিংসে পঞ্চাশ পেরনো ইনিংস নেই একটিও। তবে গত ইনিংসে সেঞ্চুরি হাঁকানো ডিন এলগার এই ইনিংসেও পেয়েছেন ফিফটি। অবশ্য তার কিছুক্ষণ পরেই রঙ্গনা হেরাথকে তুলে মারতে গিয়ে ব্যক্তিগত ৫৫ রানে ধরা পড়েছেন স্লিপে।

ডু প্লেসি আর ডুমিনি মিলে দক্ষিণ আফ্রিকার লিড নিয়ে যান ৪০০ ছাড়িয়ে। তবে লাকমলের বলে ডুমিনি লেগ বিফোর হয়ে ফিরলে লাঞ্চের ঠিক আগেই চতুর্থ উইকেটের পতন হয় প্রোটিয়াদের। ফর্মে না থাকা আরেক ব্যাটসম্যান বাভুমা কোন রান না করেই রানআউট হয়েছেন লাঞ্চের পরের ওভারেই। তবে ডু প্লেসির ৪১, ককের ২৯ আর মহারাজ, ফিলান্ডারের ছোট সব ইনিংসে ভর করে ২২৪ রানে ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। লঙ্কানদের মধ্যে উজ্জ্বল ছিলেন কেবল লাকমল, এই ইনিংসেও নিয়েছেন ৪ উইকেট।

৫০৬ রানের বিশাল টার্গেট তাড়া করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় শ্রীলংকা। দলীয় ১১ রানে ফিলান্ডারের নিখুঁত ইনসুইংয়ে বোল্ড হন করুণারত্ন। মেন্ডিসও ডানহাতি পেসারের বলেই সাজঘরে ফিরেছেন কিছুক্ষণ পরেই। চাপে পড়া লঙ্কান ইনিংস দুই সিলভা মিলে মেরামত শুরু করলেও চালিয়ে যেতে পারেননি। পরপর দুই ওভারে দুজনকেই প্যাভিলিয়নে পাঠিয়েছেন রাবাদা। তবে একসময় ৪ উইকেটে ৬৯ থাকা শ্রীলংকার আশা জিইয়ে রেখেছেন অভিজ্ঞ ম্যাথিউস (২৯*) আর চান্দিমল (২৮*)। তাদের দুইজনের অবিচ্ছিন্ন ৬১ রানের জুটিতে ১৩০ রানে দিনশেষ করেছে শ্রীলংকা।