• দক্ষিণ আফ্রিকা-শ্রীলঙ্কা
  • " />

     

    এক দিনেই ১৬ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কার ধবলধোলাই

    এক দিনেই ১৬ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কার ধবলধোলাই    

    সংক্ষিপ্ত স্কোর
    দক্ষিণ আফ্রিকা ৪২৬
    শ্রীলঙ্কা ১৩১ ও ১৭৭
    ফলঃ দক্ষিণ আফ্রিকা ইনিংস ও ১১৮ রানে জয়ী


     

    অনেক প্রশ্নেরই উত্তর দেওয়ার ছিল। কলপ্যাক চুক্তিতে কাইল অ্যাবট, রাইলি রুশোদের হারিয়ে ফেলা ছিল বড় একটা আঘাত। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটে এ কদিন কম তোলপাড় হয়নি। কিন্তু মাঠের খেলায় রাবাদা, ফিল্যান্ডাররা তার কোনো ছাপই পড়তে দিলেন না। শ্রীলঙ্কাকে ইনিংস ও ১১৮ রানে উড়িয়ে দিয়ে দলে ডাক পাওয়া পারনেল- অলিভিয়েররা সুযোগটা দুই হাত ভরে কাজে লাগালেন। আর তিন টেস্টে ধবলধোলাই হয়ে শ্রীলঙ্কা বুঝিয়ে দিল, ব্যাটিংয়ে জয়াবর্ধনে-সাঙ্গাকারার রেখে যাওয়া শুন্যস্থান পূরণ হতে আরও অনেকদিনই সময় লাগবে। 


    দ্বিতীয় দিন শেষে ৮০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল শ্রীলঙ্কা। তখনই বোঝা গিয়েছিল, জোহানেসবার্গের নিউ ওয়ান্ডারার্সেও আরেকটি পরাজয় উঁকি দিচ্ছে দৃষ্টিসীমায়। কিন্তু সেই পরাজয় তৃতীয় দিনেই যে ঘনিয়ে আসবে, সেটা ভাবাটা একটু কষ্টকল্পনাই ছিল। কী অবিশ্বাস্য, তৃতীয় দিনে মাত্র ৬০ ওভার খেলেই আরও ১৬ উইকেট হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা! ধ্বংসযজ্ঞটা চার পেসার মিলেই করেছেন। ফিল্যান্ডার পেয়েছেন চার উইকেট, রাবাদা এবং নবাগত অলিভিয়ের পেয়েছেন দুই ইনিংস মিলে পাঁচ উইকেট। আর দলে ফিরে ছয় উইকেট পেয়েছেন ওয়েইন পারনেল। অদ্ভুত ব্যাপার, শ্রীলঙ্কার ২০ উইকেটের মধ্যে ১৮টিতেই ব্যাটসম্যানরা ক্যাচ দিয়েছেন, বেশির ভাগই আবার উইকেটের পেছনে। মাত্র দুইটি হয়েছে বোল্ড আউট। এর মধ্যে অলিভিয়েরের বলে ডু প্লেসি ম্যাথুসের যে ক্যাচটি ধরেছেন, সেটা বহুদিনই মনে রাখার কথা। দুর্দান্ত এক লাফে প্রায় অবিশ্বাস্য একটা ক্যাচ নিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক। থারাঙ্গাকেও আরেকটু দুর্দান্ত ক্যাচে ফিরিয়ে দিয়েছেন জেপি ডুমিনি। 


    তবে বোলাররা হারিয়ে দিলেও তাঁদের কাউকে ম্যাচসেরা করাটা কঠিনই ছিল। প্রথম ইনিংসে ১৫৫ রানের ইনিংসের জন্য ম্যাচসেরা হয়েছেন জেপি ডুমিনি। আর পুরো সিরিজে সর্বোচ্চ ৩১০ রানের জন্য ডিন এলগার পেয়েছেন সিরিজসেরার পুরস্কার।