• ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    রকিবুলের রেকর্ডভাঙা ১৯০ রানেও পারল না মোহামেডান

    আবাহনী ৫০ ওভারে ৩৬৬/৫ (লিটন ১৩৫, নাজমুল শান্ত ১১০, শুভাগত ৪৮*; তাইজুল ৩/৫৭)

    মোহামেডান ৫০ ওভারে ৩৩৯/৯ (রকিবুল ১৯০, আসালাঙ্কা ৬৩; মনন শর্মা ৫/৪৭)

    ফলঃ আবাহনী ২৭ রানে জয়ী


    শেষ ওভারে দরকার ছিল ৩০ রান। আর ইতিহাসের চূড়ায় ওঠার জন্য রকিবুলের দরকার আর ১০ রান। কিন্তু কাজী অনিকের দ্বিতীয় বলেই আউট হয়ে গেলেন রকিবুল হাসান। মাত্র ১০ রানের জন্য হওয়া হলো না লিস্ট এ তে বাংলাদেশের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান। রেকর্ড অবশ্য এর আগেই বেশ কিছু গড়ে ফেলেছেন। তবে আবাহনীর ৩৬৭ রানের পাহাড় তাড়া করে কাছাকাছি গিয়েও পারল না মোহামেডান, ২৭ রানে হেরে গেছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনীর কাছে।

    রকিবুল অবশ্য এর অনেক আগেই রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন। পাহাড় টপকাতে গিয়ে মোহামেডানের শুরুটা ভালো হয়নি, মাত্র ৩৮ রানেই হারিয়ে ফেলেছে ৩ উইকেট। কিন্তু সেখান থেকেই ঝড় শুরু করলেন রকিবুল। ফিফটি পেয়ে গেলেন মাত্র ৩০ বলে, ততক্ষণে ছয় মেরেছেন চারটি। পরের ফিফটির জন্য খেললেন ৩২ বল, ৬২ বলেই হয়ে গেল তিন অঙ্ক। বাংলাদেশের হয়ে লিস্ট এ তে এটি দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি। মাশরাফি বিন মুর্তজা গত বছর কলাবাগানের হয়ে সেঞ্চুরি করেছিলেন মাত্র ৫০ বলে।

    আবাহনীর পাহাড়ও তখন একটু একটু করে কাছে আসতে শুরু করেছে। রকিবুলের সঙ্গে চারিথ আসালঙ্কার জুটিটাও বেশ জমে উঠেছে। কিন্তু ৬০ বলে ৬৩ রান করে চলে গেলেন আসালঙ্কা, ভেঙে গেল দুজনের ১৭৫ রানের জুটি।

    রকিবুল অবশ্য লড়াই চালিয়ে গেছেন একাই। এর মধ্যে পেরিয়ে গেছেন দেড়শ, ভেঙে দিয়েছেন তামিম ইকবালের ১৫৭ রানের রেকর্ড। কদিন আগে এই মোহামেডানের হয়েই লিস্ট এ তে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি রানের নিজের রেকর্ড নতুন করে লিখিয়েছিলেন তামিম। রকিবুল যখন সেটি পেরিয়ে গেলেন, মোহামেডানের জয়টা তখনও অসম্ভব নয়।

    কিন্তু অন্য প্রান্তে কেউ সঙ্গ দিতে না পারায় রান ও বলের ব্যবধান বাড়তে লাগল। রকিবুল অবশ্য এরপরও চেষ্টা করেছেন, পৌঁছে গিয়েছিলেন ডাবল সেঞ্চুরি থেকে ঢিল মারা দূরত্বে। কিন্তু সেটি আর নিতে পারেননি। এর মধ্যে দশটি ছক্কাও হয়ে গেছে, আর একটি হলেই লিস্ট এ তে মাশরাফির এক ইনিংসে ১১ ছক্কার রেকর্ডও ছুঁয়ে ফেলতে পারতেন। মোহামেডান থেমে গেছে ৩৩৯ রানে, পরে ব্যাট করে এটাই বাংলাদেশের কোনো দলের লিস্ট এ তে সর্বোচ্চ ইনিংস।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন