• চ্যাম্পিয়নস ট্রফি
  • " />

     

    কুম্বলের সাথে ছয় মাস কথা বলেননি কোহলি!

    দায়িত্ব ছাড়ার পর বিদায়বার্তায় বলেছিলেন, কোহলির সাথে মতবিরোধ হওয়ার কারণেই সরে দাঁড়াচ্ছেন। অনিল কুম্বলের এই পদত্যাগ জন্ম দিয়েছে অনেক প্রশ্নের। বিসিসিআইয়ের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলছেন, গত ছয় মাস ধরেই নাকি দলের কোনো ব্যাপারে নিজদের মাঝে কথা বলতেন না কোহলি-কুম্বলে!

    চ্যাম্পিয়নস ট্রফির শুরু থেকে গুঞ্জন ছিল, কুম্বলেকে আর কোচ হিসাবে চাইছেন না কোহলি। বিসিসিআই অবশ্য শেষ পর্যন্ত দুজনের এই মনোমালিন্য দূর করার চেষ্টা করেছে। তবে কুম্বলে এভাবে দায়িত্ব পালন করতে চান না বলেই জানিয়েছেন পদত্যাগের সময়। বিসিসিআইয়ের কর্মকর্তার মতে, দ্বন্দ্বটা দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল, “গত ডিসেম্বরে ইংল্যান্ড সিরিজের পর থেকেই দুজনের কথা বলা একরকম বন্ধই ছিল। আমরা কুম্বলেকে আলাদাভাবে এসব ব্যাপারে আগেও জিজ্ঞাসা করেছি। কিন্তু তিনি বলেছিলেন কোনো সমস্যা নেই। শেষ পর্যন্ত এই দ্বন্দ্বের কারণেই কুম্বলেকে সরে দাঁড়াতে হয়েছে। কোহলি যেমনটা চেয়েছিলেন তেমনটাই হয়েছে। কুম্বলের বিদায়ের পর তাঁর ওপর চাপটাও অনেক বেড়ে যাবে।”

    এদিকে বিসিসিআইয়ের আরেক কর্মকর্তা রাজিব শুক্লা জানিয়েছেন, শ্রীলংকা সফরের আগেই নতুন কোচ নিয়োগ করা হবে,  “কুম্বলেকে রাখার জন্য বোর্ড কম চেষ্টা করেনি। তবে শেষ পর্যন্ত সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে হয়তো দল কোচ ছাড়াই খেলবে। শ্রীলংকা সফরের আগে আশা করি নতুন কোচ খুঁজে পাবো আমরা। সবাই বলছে কোহলির সিদ্ধান্তকেই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ব্যাপারটা আসলে এমন না, সবার মতামতেরই দাম আছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম হয়। দুজনের বনিবনা হচ্ছিল না, এটা দুঃখজনক।”

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন