• " />

     

    ৫ রানের জন্য বিশ্বরেকর্ড হাতছাড়া হেলসের

    অষ্টম ওভারের প্রথম বল। ডারহামের বোলারদের তুলোধুনো করা অ্যালেক্স হেলস তখন স্ট্রাইকে, সামনে ৪ বছর পুরনো বিশ্বরেকর্ড ছোঁয়ার হাতছানি। এই বলে ছয় মারলেই স্পর্শ করবেন গেইলের দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির রেকর্ড। ওয়েহেলের বলে সজোরে ব্যাট চালালেন, তবে ছয় তো হলোই না, উল্টো উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হল হেলসকে। ন্যাটওয়েস্ট  টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে মাত্র ৫ রানের জন্য বিশ্বরেকর্ড করতে পারলেন না তিনি।

     

    ১৮৪ রানের লক্ষে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই হেলসের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে চাপে পরে ডারহাম। ৫ম ও ষষ্ঠ ওভারে পরপর তুলে নেন ২৭ ও ২৮ রান। চার ছক্কার বন্যা বইয়ে ১৯ বলেই হেলস পান হাফ সেঞ্চুরির দেখা। পরের ৪৫ রান আসে মাত্র ১০ বলে! ৯ ছক্কা ও ৯ চারে শেষ পর্যন্ত ৩০ বলে ৯৫ রান করেই ফিরতে হয় হেলসকে। তিনি ফিরলেও ৩৭ বল হাতে রেখে সহজ জয় পেয়েছে দল।

     

    ২০১৩ সালের আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জারস বেঙ্গালুরুর হয়ে ৩০ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন ক্রিস গেইল। সেটাই টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত দ্রুততম সেঞ্চুরি। হেলস বলছেন, ব্যাটিং করার সময় গেইলের এই রেকর্ডটা তার মাথায় ছিল, “আমি জানতাম দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির রেকর্ডটা স্পর্শ করার সুযোগ আছে। এরকম সুযোগ আসলে বারবার পাওয়া যায় না। মাঠের বাউন্ডারি ছোট ছিল, পিচও ব্যাটিং সহায়ক ছিল। রেকর্ডটা হাতছাড়া হওয়ায় খানিকটা খারাপ লাগছে। তবে দল জয় পেয়েছে, এটাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।”

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন