• ক্রিকেট

২০১৯ বিশ্বকাপ - পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া

পোস্টটি ১৯০১ বার পঠিত হয়েছে

images (5)

বিশ্বকাপের জার্সি পরিধানে ফটোসেশান  

বিশ্বকাপের এগারো আসরের মধ্যে সর্বোচ্চ পাঁচবার আইসিসির ‘শো পিচ’ তুলে রেখেছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। আসন্ন ২০১৯ ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ঘোষিত ১৫ সদস্যে স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন বল টেম্পারিংয়ের দায়ে এক বছর নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরা দুই ব্যাটসম্যান স্টিভেন স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নার। তবে তাদের জায়গা করে দিতে বাদ দেয়া হয়েছে ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে দারুণ পারফর্ম করা পিটার হ্যান্ডসকম্বকে। একই সাথে ইনজুরির কারণে দলে জায়গা হয়নি নির্ভরযোগ্য পেস বোলার জশ হ্যাজলউডের।

smithwarner1504abcd

নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে জাতীয় দলে ফিরেছেন ওয়ার্নার ও স্মিথ     

বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা করে নেয়ার পাশাপাশি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ২০১৯-২০ সালের সেন্ট্রাল কনট্র্যাক্টের তালিকাতেও নাম উঠেছে স্মিথ-ওয়ার্নারের। সব ঠিক থাকলে ১ জুন ব্রিস্টলে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট প্রত্যাবর্তন ঘটবে তাদের। 

ইংলিশ কন্ডিশন বিবেচনায় ১৫ সদস্যের স্কোয়াডে ৫ জন পেসার রাখা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সম্প্রতি ১৩টি ওয়ানডে ম্যাচে না খেললেও সরাসরি স্কোয়াডে ঢুকে গেছেন মিচেল স্টার্ক। তবে হ্যাজলউডের ভাগ্য অতোটা সুপ্রসন্ন নয়, পিঠের ইনজুরির কারণে জানুয়ারি থেকে মাঠের বাইরে তিনি। তার ফিটনেস নিয়ে সন্দেহ থাকায় ঝুঁকি নিতে চাননি অজি নির্বাচকরা। কেননা বিশ্বকাপের পরেই শুরু হবে অ্যাশেজের লড়াই। সেখানে হ্যাজলউডকে বেশি প্রয়োজন।

সাবেক অধিনায়ক স্টিভ স্মিথকে দলে রাখা হয়েছে। তবে বিশ্বকাপ দলের অধিনায়ক হিসেবে অ্যারন ফিঞ্চকেই বেছে নিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। স্টার্কের সাথে অবধারিতভাবে রয়েছেন প্যাট কামিন্স। কাঁধের ইনজুরি কাটিয়ে দলে জায়গা করে নিয়েছেন ঝাই রিচার্ডসন। আছেন ন্যাথার কুলটার নাইল ও জেসন বেহরেনডর্ফ। নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান ট্রেভর হর্নস অবশ্য জানিয়েছে, স্টার্ক ও রিচার্ডসনের দলে থাকা ফিটনেসের ওপর নির্ভরশীল। আইসিসির নিয়মে ২৩ মে’র আগে স্কোয়াডে পরিবর্তন হতেও পরে।

তবে অজি স্কোয়াডে সবচেয়ে বড় চমক হ্যান্ডসকম্বের বাদ পড়া। স্মিথ-ওয়ার্নারের প্রত্যাবর্তন মানেই, মিডল অর্ডার থেকে কাউকে জায়গা ছেড়ে দিতে হবে। সাম্প্রতিক ফর্ম ও ব্যাকআপ উইকেট কিপার হিসেবে কার্যকারিতা বিবেচনায় তার স্কোয়াডে থাকা একরকম নিশ্চিত বলেই ধরা হচ্ছিলো। হ্যান্ডসকম্ব না থাকায় অস্ট্রেলিয়া স্কোয়াডে অ্যালেক্স ক্যারি-ই একমাত্র কিপার। প্রস্তুতি পর্ব কিংবা বিশ্বকাপ চলাকালে তিনি যদি ইনজুরিতে পড়েন, তবে বড় বিপদে পড়বে অস্ট্রেলিয়া।

images (4)

অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ স্কোয়াড:  অ্যারন ফিঞ্চ (অধিনায়ক), ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভেন স্মিথ, উসমান খাজা, শন মার্শ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্কাস স্টয়নিস, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেট কিপার), প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, ঝাই রিচার্ডসন, ন্যাথান কুল্টার নাইল, জেসন বেহরেনডর্ফ, অ্যাডাম জাম্পা ও নাথান লায়ন।

 

প্লেয়ার টু ওয়াচ 

ডেভিড ওয়ার্নার  

8999516-3x2-940x627

স্টিভেন স্মিথের সঙ্গে একই অপরাধে এক বছর নিষিদ্ধ ছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। মাঠে ফিরেই চমক দিয়ে যাচ্ছেন এই ব্যাটসম্যান। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ২০১৯ মৌসুমে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রানদাতা ওয়ার্নার। যিনি টানা ৭ ম্যাচে অর্ধশতাক হাঁকানোর রেকর্ড করেন আইপিএলে। ইতোমধ্যে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দেশে ফিরছেন ওয়ার্নার। এই অজির ফর্মের অবস্থা যেমন তুঙ্গে রয়েছে, তাতে বিশ্বকাপে বিস্ফোরক ইনিংস খেলে সর্বোচ্চ রানদাতাও তিনি হতে পারেন। এই ওপেনার জাতীয় দলের হয়ে ওডিআইতে ১০৪ ইনিংস ব্যাটিং করে ৪৩ গড়ে ১৪ টি সেঞ্চুরি ও ১৭টি হাফ সেঞ্চুরিসহ করেছেন ৪ হাজার ৩৪৩ রান। তাই বিশ্বকাপে অজি দলের স্পটলাইটে থাকবেন মাঠের চতুর্দিকে রানের ফুলঝুরি ছিটানো এই খেলোয়াড়।

[Note : All photos are collected from Getty Images & other news sources]     

'প্যাভিলিয়ন ব্লগ’ একটি কমিউনিটি ব্লগ। প্যাভিলিয়ন ব্লগে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি এবং ভিডিওর সম্পূর্ণ স্বত্ব এবং দায়দায়িত্ব লেখক এবং মন্তব্য প্রকাশকারীর নিজের। কোনো ব্যবহারকারীর মতামত বা ছবি-ভিডিওর কপিরাইট লঙ্ঘনের জন্য প্যাভিলিয়ন কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না। ব্লগের নীতিমালা ভঙ্গ হলেই কেবল সেই অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবেন।