• অন্যান্য খবর
  • " />

     

    করোনার ভ্যাকসিন নেবেন কিনা নিশ্চিত নন জোকোভিচ

    করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের জন্য অপেক্ষায় আছে পুরো বিশ্ব। কারণ একমাত্র কার্যকরী ভ্যাকসিনের মাধ্যমেই মানবজাতি এই বৈশ্বিক মহামারী থেকে চূড়ান্তভাবে নিস্তার পেতে পারে। তবে এই ভাইরাস প্রতিরোধক ভ্যাকসিন বের হলে তা গ্রহণ করবেন কিনা তা নিয়ে ধন্দে আছেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা সার্বিয়ার নোভাক জোকোভিচ।

    আর এই ভ্যাকসিন নিতে সিদ্ধান্তহীনতা তার আবারও টেনিস কোর্টে ফেরার পথে বাধা হতে দাড়াতে পারেন বলেও মনে করেন জোকোভিচ, “আমি ব্যক্তিগতভাবে ভ্যাকসিন গ্রহণের বিরোধী। আর ভ্রমণের অনুমতি দেওয়ার জন্য কাউকে ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে বাধ্য করাও অনুচিৎ। তবে যদি ভ্যাকসিন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়, তখন কী হবে? তখন হয়ত আমাকে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতেই হবে। বিষয়টি নিয়ে আমার নিজের ভিন্ন চিন্তাধারা রয়েছে, সেটি পরবর্তীতে বদলাবে কিনা তা এখনই বলা কঠিন।” রবিবার আরও বেশ কয়েকজন সার্বিয়ান অ্যাথলেটের সঙ্গে একটি ফেসবুক লাইভে বিষয়টি নিয়ে জোকোভিচ মত তুলে ধরেন। 

    করোনার কারণে অন্য সব খেলার মতো টেনিস কোর্টেও এখন তালা। এ বছরের উইম্বলডন এরই মধ্যে বাতিল করা হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম বাতিল হল টেনিসের অন্যতম এই গ্র্যান্ডস্লাম টুর্নামেন্ট। এদিকে মে-তে অনুষ্ঠিত ফ্রেঞ্চ ওপেন পিছিয়ে গিয়েছে সেপ্টেম্বরের শেষদিক পর্যন্ত। আর অন্য সব ধরনের টেনিস প্রতিযোগিতাও আপাতত ১৩ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত রয়েছে।

    এমন অবস্থায় সাবেক ফ্রেঞ্চ নারী টেনিস তারকা, দুবারের গ্র্যান্ডস্লামজয়ী আমেলি মরেসমো এক টুইটে এ বছরে টেনিসের সব সূচি বাতিল করতে অনুরোধ করেছেন। ভ্যাকসিন আসার আগ পর্যন্ত খেলা পুনরায় শুরু করা উচিৎ হবে না বলে টুইটে উল্লেখ করেছেন তিনি। মূলত এক বছরের আগে করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করা সম্ভব নাও হতে পারে বলে দেওয়া বিজ্ঞানীদের ভাষ্য আমলে নিয়েই এই কথা বলেছেন আমেলি। একইভাবে জোকোভিচও তাই এ বছর আর টেনিস মাঠে গড়াচ্ছে কিনা তা নিয়ে নিজের সংশয়ের কথা জানিয়েছেন, “আমরা যদি কোয়ারেন্টিন শেষ করে আগামী জুলাই, আগস্ট বা সেপ্টেম্বরের দিকে খেলা পুনরায় শুরু করতে চাই, তাহলে অবশ্যই তার আগে ভ্যাকসিন প্রয়োজন হবে। আর ভ্যাকসিন তো এখনও পর্যন্ত বের হয়নি।”