• ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইংল্যান্ড সফর ২০২০
  • " />

     

    পায়ের নো-বল দেখার দায়িত্ব পুরোপুরি চলে যাচ্ছে টিভি আম্পায়ারের কাছে?

    পায়ের নো-বল দেখার দায়িত্ব পুরোপুরি চলে যাচ্ছে টিভি আম্পায়ারের কাছে?    

    শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফ্রন্ট-ফুটের নো বল দেখার দায়িত্ব পুরোপুরিভাবে চলে যেতে পারে টেলিভিশন আম্পায়ারের কাছে। আইসিসি উইমেনস টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সফলভাবে এ পদ্ধতি অবলম্বন করার পর এবার আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ, ওয়ানডে লিগে এমন করা হতে পারে বলে দ্য ইন্ডেপেন্ডেন্টের এক রিপোর্ট জানিয়েছে। 

    ডিআরএস আসার পর থেকেই টিভি আম্পায়ার রিভিউয়ের সময় নো-বল দেখেন, কোনও ব্যাটসম্যান আউট হওয়ার পরও দেখা হয় সেটি। তবে একবার ভুল করে অন-ফিল্ড আম্পায়ার নো বল কল করলে সেটি বদলানোর সুযোগ নেই বর্তমান প্লেয়িং কন্ডিশন অনুযায়ী। অন্যদিকে ডিআরএসসহ অন্যান্য চাপে অন-ফিল্ড আম্পায়াররা প্রায়ই ফ্রন্টফুটের নো বল মিস করে যান, কোনও ব্যাটসম্যান আউট হলেই শুধু টিভি আম্পায়ারের দ্বারস্থ হন তারা। 

    শেষ ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম টেস্টেও তিনটি উইকেট বাতিল হয়েছে অনফিল্ড আম্পায়ার ফ্রন্টফুটের নো বল এড়িয়ে যাওয়ায়। 

    ইন্ডেপেন্ডেন্টের ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২১ সাল থেকে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন সাইকেলে এ নিয়ম চালু করা নিয়ে এরই মাঝে সম্মতি পাওয়া গেছে। তবে এর আগে আরেকবার এ নিয়ম বিবেচনা করে দেখবে আইসিসির প্রধান নির্বাহীদের কমিটি।  
     


    আইসিসি উইমেনস টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপসহ এরই মাঝে ১২টি ওয়ানডেতে এ পদ্ধতি যাচাই করে দেখা হয়েছে। নতুন চালু হতে যাওয়া বিশ্বকাপ সুপার লিগে এটি ব্যবহার করার কথা ছিল, তবে মে মাসে এ লিগ স্থগিত হয়ে গেছে কভিড-১৯ মহামারির কারণে। এ বছর হতে যাওয়া মেনস টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও এটি চালু করার কথা ছিল, তবে এ টুর্নামেন্ট আদৌ এ বছর হবে কিনা সে ব্যাপারে সোমবার সিদ্ধান্ত নিতে পারে আইসিসি। 

    গত বছর অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান টেস্টে দুই সেশনেই ২১টি নো-বল অনফিল্ড আম্পায়াররা এড়িয়ে গেছেন বলে জানিয়েছিল অফিশিয়াল ব্রডকাস্টিং কোম্পানি সেভেন নেটওয়ার্ক। তবে এর আগে ২০১৬ সালে ভুলক্রমে ডগ ব্রেসওয়েলের বলে নো ডেকেছিলেন আম্পায়ার রিচার্ড ইলিংওর্থ, দ্বিতীয় জীবনে ভোজেস করেছিলেন আরও ২৩২ রানসে ঘটনার পর পরীক্ষামূলকভাবে পাকিস্তান-ইংল্যান্ড সিরিজে টিভি আম্পায়ারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল নো-বল দেখার জন্য। ২০১৮ সালে নো-বল নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল বাংলাদেশেও। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এক টি-টোয়েন্টিতে ভুল করে দুটি নো-বল ডেকেছিলেন আম্পায়ার তানভীর আহমেদ, যার মাঝে দ্বিতীয়টিতে ক্যাচ তুলেছিলেন লিটন দাস। পরে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানরা মাঠেই প্রতিবাদ করেছিল, শেষ পর্যন্ত নেমে আসতে হয়েছিল ম্যাচ রেফারিকেও।

    তবে এ পদ্ধতি আর্থিক দিক দিয়ে সুলভ নয় বলে শেষ পর্যন্ত সামগ্রিক দিক দিয়ে ব্যবহার করা হয়নি। তবে এক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে প্রযুক্তির, ফলে আর্থিক দিকটি খুব একটা চিন্তার বিষয় নয় এখন আর। এ পদ্ধতিতে হক-আই ও স্লো-মোশন রিপ্লের মাধ্যমে নো বল দেখবেন টিভি আম্পায়ার, তেমন হলে সে সঙ্কেত যাবে অনফিল্ড আম্পায়ারের কাছে, যিনি শেষ পর্যন্ত ডাকবেন নো-বল। একটি ডেলিভারির ৮ সেকেন্ডের মাঝে সম্পন্ন হবে এ প্রক্রিয়া। 
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন