• বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ ২০১৫
  • " />

     

    চ্যালেঞ্জটা এবার আরও বড় ?

    চ্যালেঞ্জটা এবার আরও বড় ?    

    সিরিজ শুরুর আগে পূর্বানুমান সংক্রান্ত লেখাগুলোর ক্ষেত্রে বিশাল ঝুঁকি রয়ে যায়। অনুমানের সম্পূর্ণ বিপরীত ঘটলে নিজেকে আগুনের মাঝে ফেলে দেয়া হয়। আবার অনুমান মিলে গেলে নিজেকে নিয়ে গর্ববোধ করা যায়।

     

     

    দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ খেলতে ঢাকায়। এর আগে তারা বাংলাদেশে এসেছিলো ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে। দুই টেস্ট আর তিন ওয়ানডের সেই সিরিজটিতে বাংলাদেশের হার অবশ্যাম্ভাবীই ছিল। বিশেষ করে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ওপেনার গ্রায়েম স্মিথ আর নিল ম্যাকেঞ্জির প্রথম উইকেটে ৪১৫ রানের জুটি এখনও বিশ্বরেকর্ড। এই রেকর্ডের কাছে চাপা পড়ে যায় প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতার কথা। ১৯২ রানে প্রথম ইনিংসে অলআউট হলেও দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৭০ এ অলআউট করে দিয়ে প্রথম ইনিংসে রীতিমতো লিড নিয়েছিলো বাংলাদেশ। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। আর তিন ওয়ানডেতে তো মোটামুটি নাকানি চুবানিই খেয়েছিলো বাংলাদেশ।

     

     

    যাই হোক, সাত বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকা আবার বাংলাদেশে। এবারের অবস্থা অবশ্য পুরো ভিন্ন। পাকিস্তান-ভারতকে টানা দুই ওয়ানডে সিরিজে হারানোর পরে দেশের মাটিতে এই বাংলাদেশকে মোকাবেলা করা যেকোন বড় দলের জন্যই কঠিন। ভারতকে আমরা হারিয়েছি চার পেসারের চমক দিয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষেত্রেও কি একই কৌশল অবলম্বন করা ঠিক হবে? দক্ষিণ আফ্রিকা বাংলাদেশে যেবছর আসে, সেবছরই নভেম্বরে বাংলাদেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলতে যায়। দুই টেস্টের যে দুই ইনিংসে বল করার সুযোগ পেয়েছিলেন সাকিব আল হাসান তাতেই ১১ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন তিনি। সুতরাং দেশের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে খেলতে হবে স্পিন নির্ভর দল নিয়ে।

     

     

    টি-টোয়েন্টিঃ 

     

    ইতোমধ্যে টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণায় সোহাগ গাজী, জুবায়ের লিখনকে দলে নিয়ে নির্বাচকেরা স্পিননির্ভর দলেরই আভাস দিয়েছেন। আরও মনে করিয়ে দেই, ২০০৮ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যে একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ মাত্র ৯ রানে হেরে গিয়েছিলো, সেখানে রাজ্জাক মাত্র ৩ ওভারেই ৪ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। গত ৭ বছরে আইপিএলসহ উপমহাদেশে সফর করে দক্ষিণ আফ্রিকার খেলোয়াড়েরা স্পিনের বিপক্ষে দুর্বলতা কাটিয়ে উঠেছে সত্যি কিন্তু বাংলাদেশের জুলাই মাসের এই গরমে বাংলাদেশের স্পিনারেরা দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিংই হবে। সাথে বৈচিত্র্যময় স্পিনারের দলের কোটা রয়েছে আমাদের দলে। অ্যাকশন শুধরে দলে ফিরেছেন সোহাগ গাজী, আছেন আরাফাত সানি। টি-টোয়েন্টি দলের জন্য এই দুই স্পিনারই মূল একাদশে অগ্রাধিকার পাবেন বোধ করি। সাথে তো সাকিব আল হাসান রয়েছেই।

     

    মাশরাফির সাথে রুবেল অথবা মুস্তাফিজ একজনকে নিয়েই ৫ স্পেশালিস্ট বোলারের দল গড়া যায়। রান প্রসবিনীর টি-টোয়েন্টিতে একেবারেই অনভিজ্ঞ স্পিনার লিখনকে প্রথম টি-টোয়েন্টির জন্য অন্তত একাদশে বিবেচনা না করবার পক্ষে আমি। আর ব্যাটিংয়ে পাকিস্তানের সাথের লাইন আপই বাংলাদেশের জন্য যথেষ্ট। তামিম, সৌম্য, সাকিব, সাব্বির, নাসির, মুশফিক- এদের সাথে রনি অথবা লিটনের একজন। সেই পাকিস্তান সিরিজ থেকে স্কোয়াডে রয়েছেন রনি তালুকদার। এবারে একটা টি-টোয়েন্টিতে মূল একাদশে জায়গাটা প্রাপ্য তার।

     

     

    এবার দক্ষিণ আফ্রিকা দলের কথাতে আসি। হাশিম আমলা, ডেল স্টেইন, মরনে মরকেল এমনকি গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী ইমরান তাহির কেউই দলে নেই। বোলিং ইউনিটটা ওদের প্রায় নতুন। বোধকরি ওয়েইন পারনেল, ক্রিস মরিস, কাইলি অ্যাবটের নেতৃত্বে বোলিং আক্রমণে লেগ স্পিনার এডি লি-র অভিষেক প্রায় নিশ্চিত। পেসে অন্য নতুন কেউ অভিষেকে চমক হয়ে উঠতে পারেন। সাথে আমার মনে হয় ডুমিনির অফ স্পিন কিছুটা ভয়ের ব্যাপার হতে পারে বাংলাদেশের জন্য। ঠিকমতো লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, দক্ষিণ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি বোলিং আক্রমণটা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের তুলনায় অভিজ্ঞতায় অনেক পিছিয়ে। তবে বাংলাদেশের বোলারদের বেশ ভালোই পরীক্ষা দিতে হবে। ভিলিয়ার্স, ফাফ ডু প্লেসিস, ডুমিনি, রসোউ, ডেভিড মিলার, ডি ককদের সামলানোটা অধিনায়ক মাশরাফির জন্যেও বড় পরীক্ষা হবে। তার আক্রমণাত্মক মানসিকতা এবং 'বোলার শাফলিং' হয়তো বাংলাদেশের জয়ের পথে মূল নির্ণায়ক হয়ে দাঁড়াতে পারে।

     

     

    চ্যালেঞ্জটা বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের নিতে হবে তুলনামূলক অনভিজ্ঞ বোলিং আক্রমণকে খেলতে পারার মধ্যে। আর বড় পরীক্ষাটা দিতে হবে বোলারদের, এইসব মারকাটারি ব্যাটসম্যানদের বুদ্ধিমত্তার সাথে বল করার মধ্যে। স্লো পিচে এজন্যেই আমি মুস্তাফিজকে রুবেলের চাইতে এগিয়ে রাখবো। যদি দল তিন পেসার নিয়েই খেলতে চায়, তাহলে গাজী এবং লিখন দুইজনকেই বাদ পড়তে হবে। সেটা করাটা ঠিক যৌক্তিক হবে বলে মনে হয় না। তবে দুই দলের টি-টোয়েন্টি দলের দিকে নজর দিলে একটা অদ্ভুত মিল দেখা যায়। দুই দলই কার্যত ১২ জন খেলোয়াড় নিয়ে খেলবে। ৭ জন ব্যাটসম্যান, ৫ জন বোলার। বাংলাদেশের জন্য সাকিব যে কাজটা করে দেবার কথা, দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য সেটা করতে উপস্থিত থাকবে সম্ভবত জে পি ডুমিনি! দলে এদের দ্বৈত ভূমিকা দুই দলের শক্তিমত্তার এক বড় জায়গা। সবমিলিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে আমার 'প্রেডিকশন' ১-১!

     

     

    ওয়ানডেঃ

     

    দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়ানডে দলে আমলা, তাহির, মরকেলরা আছেন। শক্তিমত্তার দিক থেকে ওদের বোলিং অ্যাটাকের জন্যই সিরিজটা ভারত অথবা পাকিস্তান সিরিজ থেকে কঠিন হবে। ভারত বধ যেমন চার পেসার দিয়ে হয়েছিলো, দক্ষিণ আফ্রিকা বধের জন্য সেই একই কৌশল অবলম্বন করাটা ঠিক হবে না। বরং তিন পেসারের সাথে দুই স্পিনারই এখানে আদর্শ 'চয়েজ'। যদি তাসকিন পুরো সুস্থ থাকে তাহলে রুবেলের আগে মাশরাফির সাথে তাসকিনের পক্ষেই যাবো আমি। তৃতীয় পেসার হিসেবে মুস্তাফিজের জায়গা তো প্রায় পাকা ধরে রাখতে চাই। ওয়ানডে দলে সাকিবের সাথে পঞ্চম স্পিনার গাজী অথবা জুবায়ের অথবা সানিদের যে কেউই হতে পারে। সেজন্য টি-টোয়েন্টির পারফরম্যান্স বিবেচনা করতে হবে।

     

     

    অ্যাকশন শোধরানোর পরে গাজীর বোলিং কেমন হচ্ছে এটা অন্তত নেটে, অনুশীলনের সময় অথবা প্রস্তুতিমূলক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে যাচাই করে দেখা আবশ্যক। আশার কথা হচ্ছে, প্রস্তুতি ম্যাচে অনেকদিন পর আল-আমিন দলে সুযোগ পেয়েছে। তার বোলিংয়ের দিকেও চোখ থাকবে। মোটকথা দক্ষিণ আফ্রিকা বধের নকশা সাজাতে হবে তিন পেসার আর দুই স্পিনারকে কেন্দ্র করে। সাথে বোনাস হিসেবে নাসির, সাব্বিরদের বোলিং তো রয়েছেই। ব্যাটিংয়ে ওয়ানডে পর্যন্ত সম্ভবত মাহমুদুল্লাহ ফিরতে পারবেন না। যদি তিনি সুস্থ হোন তাহলে ওপেনিংয়ে তামিম-সৌম্যের পরে তিন নাম্বার জায়গাটা তারই প্রাপ্য। একপাশ থেকে ধরে খেলতে এখন পর্যন্ত মাহমুদুল্লাহর বিকল্প নেই।

     

     

    ভারত সিরিজটা মুশফিকের জন্য খুব ভালো যায়নি। তবে এই সিরিজেই যে সে স্বমহিমায় ফিরে আসবে সেটা নিয়ে সন্দেহ নেই। যদি মাহমুদুল্লাহ সুস্থ না হয় তাহলে তিন নাম্বারে আমি রনির বদলে লিটনকে খেলানোর পক্ষে। একটামাত্র যুক্তিতে যে মুশফিকের বদলে লিটন কিপিং করবে। তবে লিটনকে কিপিংয়ের সময় উইকেটের পিছন থেকে আরও প্রতিক্রিয়াশীল হতে হবে। চিৎকার করে বোলারকে উজ্জীবিত করা, অথবা একটু জোরে আবেদন করে ব্যাটসম্যানকে চাপে রাখা ক্রিকেটের মনস্তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য। এই কাজটায় লিটন বড় বেশি নীরব। দল ব্যবস্থাপনা থেকে বিশেষ করে মাশরাফির ওকে এই বিষয়ে আলাদা করে ডেকে কথা বললে বোধহয় ভালো হয়। তবে লিটনকে ক্রমাগত খারাপ করলে রনি তালুকদারেরও একটা সুযোগ প্রাপ্য।

     

     

    তিন নাম্বারে মাহমুদুল্লাহ/রনি/লিটনের এই অনিশ্চয়তা আর বোলিংয়ের কম্বিনেশন ভাঙা ছাড়া ভারত-পাকিস্তানের সাথের দলটিকেই আমি দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে সিরিজে দেখতে চাই। এবারে দেখা যাক একই জায়গায় দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অবস্থান কেমন? ওপেনিংয়ে থাকবেন সদা ধীরস্থির হাশিম আমলা আর ডি কক। এরপর ফাফ, মিলার, ডুমিনি, এবিডিরা! বোলিংয়েও তাহির, মরকেলদের উপস্থিতি। আমলা, ডি কক, ফাফ প্রথমদিকে একটা ভালো শুরু দিয়ে গেলে শেষটা আসলে বোলারদের জন্য দুর্দশার হবে। রাইলি রোসোউ, ডেভিড মিলার আর এবিডির বিরূদ্ধে শেষ ২০ ওভার বাংলাদেশের বোলাররা কেমন বল করে সেটাই দেখার।

     

     

    একটা আশার বাণী হচ্ছে এই সিরিজ থেকে ওয়ানডে আবার নতুন নিয়ম পাচ্ছে। প্রথম ১০ ওভারের পাওয়ার প্লের পরে আর কোন পাওয়ার প্লে নেই। শেষ ১০ ওভারে বৃত্তের বাইরে পাঁচজন ফিল্ডার রাখার সুবিধার কারণে বোলাররা একটা গ্যাপের কথা মাথায় রেখে বল করতে পারবেন। তাতে গত দুই বছরে শেষ ১০-১৫ ওভারে ইচ্ছেমতো মারার যে লাইসেন্স ছিল সেটাতে পরিবর্তন আসবে। নিয়মিত ব্লক হোল অথবা অফ স্টাম্পের বাইরের চ্যানেলে ইয়র্কার বল করতে পারবার ব্যাপারটা এখানে তাই খুব জরুরি। মুস্তাফিজের বিভ্রান্তিকর স্লোয়ার এখানে খুব কাজে দেবে বোধ করি। সাথে ব্লক হোলে ইয়র্কার দেবার জন্য আল-আমিন একটা সুযোগ পেলেও হয়তো ভালো হতো।

     

     

    নতুন নিয়মেও ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞ বোলারদের বিপক্ষে আগে ব্যাট করলে বাংলাদেশের ন্যূনতম ২৫০ করা চাই। আর প্রোটিয়াসরা আগে ব্যাট করলে বেঁধে ফেলতে হবে সর্বোচ্চ ২৮০ এর মধ্যেই। বাংলাদেশের জন্য সাকিব-তামিম-মুশফিক কারও অতি অসাধারণ চমকিয়া পারফরম্যান্স জরুরি। ম্যাচপ্রতি অন্তত একজনকে দায়িত্ব নিতেই হবে। প্রতিদিন মুস্তাফিজ তার মিরাকল ঘটাবে না সেটা মাথায় রাখতে হবে। সবমিলিয়ে ওয়ানডে সিরিজটা বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। বাংলাওয়াশের চিন্তা এখন করছি না। ম্যাচ ধরে ধরে এগুতে হবে। সিরিজের প্রেডিকশন আমার কাছে ২-১! তবে এই ২-১ টা যেকোন দলের জন্যই হতে পারে। আবেগী চিন্তায় আমি বাংলাদেশকেই ৫৫%-৪৫% সম্ভাবনায় ২-১ এর জন্য এগিয়ে রাখবো। যদিও কঠিন বাস্তবতা দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে কথা বলছে।

     

     

    টেস্টঃ

     

    টেস্টের ব্যাপারে আসলে বেশি কিছু বলার নেই। দক্ষিণ আফ্রিকা পরিষ্কার ফেভারিট। দুইটা টেস্টের মধ্যে একটা ড্র করতে পারাটাও বিশেষ কিছু। একমাত্র এবিডি ভিলিয়ার্স বাদে দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট দলও সম্পূর্ণ শক্তির। বাংলাদেশকে আসলে চিন্তা করতে হবে নিজেদের দিকে। যদি ভারত-পাকিস্তানের সাথে যেভাবে টেস্ট খেলতে নেমেছিলো তেমন নেতিবাচক মানসিকতা নিয়ে বাংলাদেশ খেলতে নামে তাহলে পতন অবশ্যম্ভাবী। মাত্র এক পেসার নিয়ে খেলতে নামার মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে।

     

     

    শহীদ চমৎকার বোলার। তার সাথে রুবেল এবং চাইলে আল-আমিনকেও টেস্টে নামিয়ে দেয়া যায়। এক পেসার থেকে ন্যূনতম তিন পেসারের পক্ষে আমি। স্পিনার হিসেবে সাকিবের সাথে শুভাগত হোমের বদলে সোহাগ গাজী হয়তো 'বেটার চয়েজ' হতে পারে। আর ব্যাটসম্যানেরা তো থাকবেনই তাদের মতো। সবমিলিয়ে টেস্টে প্রতিপক্ষ দল কেমন সেটা ভাবার চেয়ে নিজেরা ইতিবাচক মানসিকতায় মাঠে নামছি কি না সেটা দেখা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

     

     

    টেস্ট কিপিংটা মুশফিকের বদলে লিটন করতে পারলে হয়তো ভালো হতো। সেক্ষেত্রে টেস্টে সৌম্যের বদলে লিটনকে দলে রাখার বড় পক্ষপাতী আমি। মুশফিক কতোটা মানতে রাজি হবেন সেটাই দেখার। টেস্ট দলটা অন্তত এই কম্বিনেশনের হোকঃ তামিম, ইমরুল, মুমিনুল, মুশফিক, সাকিব, লিটন, গাজী, লিখন, রুবেল, শহীদ, আল-আমিন/আবুল হাসান। মোটকথা, ইতিবাচক মানসিকতায় টেস্টে ২০ উইকেট নেবার ইচ্ছায় খেলতে নামলে অকল্পনীয় কিছু ঘটেও যেতে পারে। আর তা যদি না ঘটে তাহলে অন্তত ড্রয়ের উদ্দেশ্যে খেলাই যায়।