• ফুটবল

দ্যা নিউ রোজানারি নাম্বার সেভেন

পোস্টটি ৪৫৭০ বার পঠিত হয়েছে
'আউটফিল্ড’ একটি কমিউনিটি ব্লগ। এখানে প্রকাশিত সব লেখা-মন্তব্য-ছবি-ভিডিও প্যাভিলিয়ন পাঠকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজ উদ্যোগে করে থাকেন; তাই এসবের সম্পূর্ণ স্বত্ব এবং দায়দায়িত্ব লেখক ও মন্তব্য প্রকাশকারীর নিজের। কোনো ব্যবহারকারীর মতামত বা ছবি-ভিডিওর কপিরাইট লঙ্ঘনের জন্য প্যাভিলিয়ন কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না। ব্লগের নীতিমালা ভঙ্গ হলেই কেবল সেই অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবেন।
প্রস্ফুটিত হাসিমুখ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটা চিনতে পারছেন? প্রস্ফুটিত হাসিমুখ নিয়ে গোধুলির শেষ প্রান্তে কাসা মিলানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটিকে লা লিগা, ইপিএল ফলো করা অনেকেই চিনবে না। ভালো মত ইংলিশ লীগ ফলো করা মানুষরা তাকে চিনবে। তিনি নিকোলা কালিনিচ। মিলান প্রেসিডেন্ট বর্তমান চাইনিজ কোম্পানির মালিক ইয়ংহং লি। তিনি যেনো দায়িত্ব নিয়েই বদলানো শুরু করেছেন। ডিফেন্স পুরোপুরি বদল করে, মিডটাকে শানিয়ে সবশেষে নজর দিয়েছিলেন স্ট্রাইকে। আন্দ্রে সিলভা, মাত্র ২১। আরেকজন দরকার। বাক্কা চলে যাওয়াতে চিন্তা তো ছিলোই। এরপরেও সন্দেহ যাচ্ছিলো না। অনেকদিন ধরে যেভাবে চলছিলো তাতে সন্দিহান ছিলাম, নতুন স্ট্রাইকার ভিড়বে তো? নাকি জোড়াতালি দিয়েই আবারো চলতে হবে দিনের পর দিন। যদিও ইয়ুথ থেকে আসা কুত্রনে বারবার কাঁপিয়ে প্রমান করছিলো আমাকে ফেলে দিও না। তবে ইয়াংস্টারের উপর কতোটা ভরসা রাখা যায় তাও প্রশ্ন ছিলো সব মিলানিস্তার মনে। আউবার জন্য বুরুশিয়া রাজি না হওয়া, মোরাতা হাতছাড়া, তারপরে আরো কয়েকটা ট্রান্সফার না হয়ে যাওয়ায় কিছুটা ক্ষেপেও ছিলাম। এতো টাকা ঢেলেও যদি ভালো না হয়। তবে চিন্তাটা এখন আর নেই। আমাদের স্পোর্টিং ডিরেক্টর ফাসোনে আর মিরাবেল্লি এসব দিক দিয়ে জাত ওস্তাদ। খুব সহজেই ভেড়াচ্ছেন। নামকরা কাউকে না কিনা শেষ পর্যন্ত হার্ড অ্যান্ড সলিড ডিফেন্সের সিরি য়া প্রুভেন কালিনিচের দিকেই ঝুকলেন। ফিওরেন্তিনা কালিনিচ অবশ্য এসব দিক দিয়ে ভালোই। সিরি আ এক্সপেরিয়ান্স নিয়ে দিনশেষে জায়ান্ট কিলার টাইপ কাউকে পাওয়াটা সৌভাগ্যের ব্যাপারই বটে। জুভে ইন্টার নাপোলি রোমার মতো দলদের সাথে পারফমটা খুব উঁচু মানেরই। সিরি য়া তে ৬৮ ম্যাচে ২৭ গোল আর ইন্টারন্যাশনালে ৩৫ ম্যাচে ১৪ গোল করা প্লেয়ার হেলাফেলার মতন না। মন্তেল্লা দিনশেষে নিজের ট্যাক্টিকের প্লেয়ারই ভেরালেন। কেনা হয়নি অবশ্য পুরোপুরি। লোনে কিনে আনার সাথে সাথে কথাও আছে, চাইলে তাকে মিলানের লাল-কালোতে ভেড়ানো যাবে। সেটা ব্যাপার নয়। ইয়ংহং লি যে রিবিল্ডিং প্রসেসে আছেন তাতে কেনা বড় ব্যাপার নয়। সেরা ছিলো এই মিলান। সেরা থেকে একটু ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে বটে। তবু মাথা নুয়াবার নয়। যে জার্সিটাকে উজ্জ্বল করে গিয়েছেন শেভচেঙ্কো, পাতোরা। সেই জার্সির অমর্যাদা নিশ্চয় করবেন না ক্রোয়েট এই স্ট্রাইকার কালিনিচ। নিকোলা কালিনিচ। সেরাদের কাতারে সুস্বাগতম তোমায়। নতুন নাম্বার সেভেন।