• ফুটবল

ফুটবলের কালো অধ্যায় কিংবা এস্কোবার হত্যাকান্ড!

পোস্টটি ২০৪১ বার পঠিত হয়েছে

কলম্বিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর, ম্যাদেয়িন। অ্যান্দেস পর্বতমালার পাদদেশে গড়া উঠা ঐতিহাসিক এ নগরীকে ঘিরে রয়েছে ৯ টি ভিন্ন শহর। ছবির মতো সুন্দর এই শহরকে কখনোও বলা হয় পর্বতের শহর, আবার কখনোও বা 'অনন্তকালীন বসন্তের শহর'। এখানকার এক কোলাহলময় গ্রামে বাস করেন দারিও এস্কোবার নামের এক ভদ্রলোক। পেশায় তিনি ব্যাংকার। তবে ব্যাংকার পেশা ছাপিয়ে তার ব্যক্তিত্বের পরিচয় মিলে ভিন্নধর্মী একটি কাজে৷ নিজ উদ্যোগে খুলেছেন একটি ফুটবল সংস্থা, যেখানে রাস্তায় থাকার পরিবর্তে বিনামূল্যে খেলার এবং প্রশিক্ষণ নেয়ার সুযোগ পাবে বেকার- প্রতিভাবান তরুণেরা!

ব্যাংকার বাবা নিজে ফুটবলের দীক্ষায় দীক্ষিত না হলেও বড় ছেলে স্যান্টিয়াগো'কে ফুটবলার বানিয়েছেন৷ ছোট ছেলে তখন সবে 'ইন্সট্যুটিও কনরাডো গঞ্জালেজ' থেকে গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট করেছে। ফুটবলের সাথে তারও সখ্যতা স্কুলে থাকাকালীন সময় থেকেই৷ মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করা এই তরুণের স্বপ্ন ফুটবলার হয়ে দেশের জার্সি গায়ে খেলে বাবা-মা'কে সম্মানিত করা৷ যাদের অনুপ্রেরণায় সে এতদূর আসতে পেরেছে।

ফুটবলে দৃঢ় মনোনিবেশ করার ফলস্বরুপ স্থানীয় ক্লাবে খেলার ডাক পায় সে৷ স্থানীয় সে ক্লাবই তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট ছিলো। কেননা, মাত্র ১৯ বছরের সে তরুণের জন্য 'এ্যাতলেটিকো ন্যাসিওনাল' ক্লাবে নাম লেখানোর ঘটনা ছিলো অবিশ্বাস্য!

তখন ১৯৮৬ সাল। ম্যাদেয়িনের সে ব্যাংকার বাবার ছোট ছেলে কলম্বিয়ান প্রফেশনাল ফুটবলে পদচারণা শুরু করেছে৷ প্রথম মৌসুমে মাত্র ৩ টি অফিসিয়াল ম্যাচে তাকে দেখা গেলো। তবে পরবর্তী মৌসুমে মোট ২১ টি ম্যাচ খেলে দলের ডিফেন্সের কান্ডারি হয়ে উঠেছিলো সে। রক্ষনভাগের সবচেয়ে ভরসার, দুর্দান্ত প্লেয়ার হিসেবে ভাগিয়ে নিয়েছিলো দলের '২' নাম্বার জার্সি৷ যার ফলস্বরূপ পরবর্তী মৌসুমে ৪১ টি ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছে সে৷

ঈশ্বর যখন কাউকে কিছু দেন, দু'হাত ভরে দেন- এমন একটা প্রবাদ সমাজে বহুল প্রচলিত আছে। তবে এই তরুণের বেলায় প্রবাদ'টি সঠিক আচরণ করলোনা। '৮৮ পরবর্তী সালে তরুণের ফুটবল ক্যারিয়ার সম্পর্কে আলোচনা করার পূর্বে তার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেয়া যাক৷

স্পেনিশ ভাষায় তাকে বলা হয়ে থাকে 'এল ক্যাবালেরো দে ফুটবল', ইংরেজিতে যা 'দ্যা জেন্টেলম্যান অব ফুটবল' বা বাংলায় 'ফুটবলের ভদ্রলোক'। পাশাপাশি, 'দ্যা ইমমরট্যাল নাম্বার টু' কিংবা 'অমর, অবিনশ্বর- অক্ষয় নাম্বার ২'ও বলা হয়ে থাকে। সংক্ষিপ্ত ক্যারিয়ারে 'এ্যাতলেতিকো ইন্টারন্যাসিওনাল' ক্লাবের পাশাপাশি খেলেছেন 'ইয়াং বয়েজ' ক্লাবেও। ক্লাব ক্যারিয়ারে জিতেছেন কোপা লিবার্তোদেরেস। হয়তো কতশত অর্জন দিয়ে তিনি ইতিহাসের পাতায় নাম লিখাতে পারতেন; তবে তার পুরো ক্যারিয়ারে কাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি মাত্র গোল!

কখনো ভাবতে পারেন, গোল দেয়ার জন্য কেউ খুন হতে পারে? হোক সেটি অন্যের জালে বল ঢুকিয়ে কিংবা নিজেদের জালে! একটি ম্যাচের রেজাল্ট বদলে দিতে পারে অনেক কিছুই, তবে নিশ্চয়ই কোনো প্লেয়ারের জীবন কেড়ে নিতে পারেনা; তবে, দুঃখজনক হলেও- ব্যাপারটি তার বেলায় ঘটেছিলো। তার মৃত্যুকে আমি ফুটবলের কালো অধ্যায় হিসেবেই দেখি৷ বলছিলাম কলম্বিয়ান ফুটবলার 'আন্দ্রেস এস্কোবার' এর কথা….

১৯৬৭ সালের ১৩-ই মার্চে জন্ম নেয়া কলম্বিয়ান এ টগবগে তরুণের পুরো নাম 'আন্দ্রেস এস্কোবার সালদারিয়াগা'। জীবনের ১৮ বসন্ত পার করতে না করতেই সুযোগ পেয়েছেন এ্যাতলেটিকো ন্যাসিওনালের যুবদলের হয়ে খেলার৷ '৮৬ সালে ন্যাসিওনালের সিনিয়র দলে অভিষেকের পর ৩ মৌসুমে খেলেছেন ৭৮ টি ম্যাচ। মাঝখানে অর্ধ- মৌসুম ইয়াং বয়েস ক্লাবের হয়ে খেললেও '৯০ এ আবারো ফিরে আসেন আপন নীড়ে।

ক্লাবের হয়ে অসাধারণ পার্ফমেন্স করতে থাকায় ডাক পান কলম্বিয়া জাতীয় ফুটবল দলে। '৮৮ সালের ৩০ জুলাই অভিষেক হয় কানাডার বিপক্ষে৷ তবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হয় একই বছর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রৌস কাপে; সে ম্যাচে দলের হয়ে একমাত্র গোলটিও আসে তার পা থেকেই৷ '৮৯ এর কোপা আমেরিকায় তার বয়স মাত্র ২২! খেলেছেন ৪ টি ম্যাচ। ঐ বছরই বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অসাধারণ পার্ফমেন্স করে তার দল জায়গা করে নেয় '৯০ এর বিশ্বকাপে৷ এবং বিশ্বকাপে তাদের ফলাফল ছিলো ঈর্শ্বনীয়! রাউন্ড অফ সিক্সটিন পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া মামুলি ব্যাপার ছিলোনা৷ যদিও ক্যামেরুনের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরে আসর থেকে বিদায় নিতে হয় তাদেরকে৷

'৯১ এর কোপা আমেরিকার দলে এস্কোবারকে রাখা হলো৷ টুর্নামেন্টের ৭ ম্যাচের সবটিতেই সে খেলেছিলো। তবে '৯৪ সালের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের কোনো ম্যাচ না খেলেও তাকে চূড়ান্ত দলে মনোনীত করা হয়েছিলো! এবং সেইসাথে তার জীবনের সবচেয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা'টিও ঘটতে যাচ্ছিলো।

২২ জুন। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে কলম্বিয়ার দ্বিতীয় ম্যাচ। প্রতিপক্ষ ইউনাইটেড স্টেটস। ইতিমধ্যে-ই নিজের নামের সাথে সুবিচার করতে থাকা এস্কোবার যথারীতি রয়েছেন রক্ষণদূর্গে। বিপত্তি'টা তখনি ঘটলো, যখন আমেরিকান মিডফিল্ডার জন হার্কসের ডি-বক্সের বাইরে থেকে উঁচু করে বাড়িয়ে দেয়া বল স্লাইড করে ব্লক করতে গিয়ে নিজের জালেই বল ঢুকিয়ে দিলেন এস্কোবার! প্রত্যকের মাথায় হাত। স্টেডিয়াম জুড়ে নিস্তব্ধতা, বিষণ্নতা- হতাশায় কয়েক মূহুর্ত সব যেন স্থির হয়ে গিয়েছিলো। সে ম্যাচে ২-১ গোলে হেরে যায় কলম্বিয়া।

এই কলম্বিয়া দলই আর্জেন্টিনা'কে ৫-০ গোলে হারিয়েছিলো। তাদের দুর্দান্ত পার্ফমেন্স হোচট খেলে, প্লেয়ারদের জীবননাশের হুমকি দিয়ে আসছিলো একটি মহল। ফলস্বরূপ, প্লেয়ার'রা চাপ নিয়ে খেলতে গিয়ে আরোও বেশি অগোছালো হয়ে গিয়েছিলো।

'৯৪ বিশ্বকাপ শেষ। ছুটিতে স্বজনদের কাছে লাস ভেগাসের নেভাডায় যাওয়ার কথা ছিলো এস্কোবারের। কিন্তু তিনি ফিরে গেলেন কলম্বিয়া। ১ জুলাইয়ের ঘটনা, মাত্র ৫ দিন পূর্বে বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়েছে কলম্বিয়া। বিষণ্ণ এস্কোবার তার বন্ধুদের একত্র করে ম্যাদেয়িনের পার্শ্ববর্তী 'এল পাবলাডো'র একটি বারে পানীয় খাওয়ার জন্য ঢুকলেন। খানিক পরেই তারা 'এল ইন্দিও' নাইটক্লাবে গেলেন। সেখান থেকে বন্ধুরা সব আলাদা আলাদা গন্তব্যে রওয়ানা দিলেও রয়ে গিয়েছিলেন এস্কোবার।

সময় তখন আনুমানিক ভোর ৪ টা। 'এল ইন্দিও'র পার্কিং লটে এস্কোবার তার গাড়ি নিয়ে একাকী দাঁড়িয়ে আছেন। কোথা থেকে মূহুর্তেই ৩ যুবক আসলো। তাকে উদ্দেশ্য করে গালাগালি করতে করতে তাদের মধ্যে দু'জন হ্যান্ডগান বের করলো। ওগুলো ছিলো ৩৮ ক্যালিবার পিস্তল! চোখের পলকেই ৬-৬ বার এস্কোবারের বুকে গুলি করা হলো৷ এবং প্রত্যেকবার গুলি করার সময় আততায়ী 'গোল- গোল' বলে চেচাচ্ছিল! এস্কোবারের রক্তাক্ত নিথর নিস্তব্ধ শরীর ফেলে রেখে সাদা রঙ্গের টয়োটা পিকআপ ট্রাকে করে পালিয়ে গেলো ৩ হত্যাকারী! এমতাবস্থায় এস্কোবার'কে হাসপাতালে নেয়া হলো। ৪৫ মিনিট পর এই নিষ্টুর পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করতে হলো তাকে।

পরবর্তী রাত্রে হামবার্তো কার্লো মুনেজ নামে এক ড্রাগ সাপ্লাইয়ার'কে আটক করা হয়। সে সান্টিয়াগো গ্যালন নামে এক জুড়াড়ির সাথে কাজ করতো; আমেরিকার সাথে ওই ম্যাচে গ্যালন বড় অঙ্কের বাঁজি ধরেছিলো এবং তাতে হেরে যাওয়ায় বিরাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলো। এস্কোবার হত্যাকান্ডে মুনেজের সমপৃক্ততা পাওয়ায়, তাকে ৪৩ বছরের সাজা দেয় আদালত। যদিও ২০০১ এর প্যানাল কোডে তার সাজা কমে ২৬ বছরে দাঁড়ায়। তবে জেলে সুন্দর ব্যাবহার এবং কাজ ও লেখাপড়া করায় ২০০৫ সালে ১১ বছরের কারাভোগ শেষে তাকে মুক্তি দেয়া হয়।

এস্কোবার হত্যাকান্ডের পিছনে সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে আমেরিকার বিপক্ষে সেই আত্মঘাতি গোল বিবেচনা করা হয়। তার শেষকৃত্য অনুষ্টানে জড়ো হয়েছিলো প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার মানুষ! প্রত্যেক বছর কলম্বিয়ানরা এস্কোবারের স্বরণে তার আলোকচিত্র হাতে নিয়ে খেলা দেখতে আসে। ২০০২ সালের জুলাইয়ে তার জন্মস্থান ম্যাদেয়িনে সম্মানার্থে একটি মূর্তি বসানো হয়৷

২০১৩ সালে সাবেক কলম্বিয়ান ফুটবলার এবং কোচ 'ফ্রান্সিস্কো ম্যাথুরানা' এস্কোবার হত্যাকান্ডকে নিতান্তই কাকতালীয় উল্লেখ করে বলেন এস্কোবার হত্যাকান্ডের সাথে ফুটবল কিংবা বিশ্বকাপের কোনো যোগসূত্র নেই! যদিও তিনি বিশ্বাস করেন এস্কোবার ভুল সময়ে, ভুল জায়গায় ছিলেন৷

ইএপিএন এর জনপ্রিয় ডকুমেন্টারি সিরিজ '30 For 30' এর ২০০৯-১০ সালের অংশে ডিরেক্টর জেফ এবং মাইকেল জিম্বালিস্ট '৯৪ বিশ্বকাপে কলম্বিয়ার পদচারণ এবং কলম্বিয়ার মাদক সম্রাটদের নিয়ে বেশ চমকপ্রদ তথ্য দিয়ে সবাইকে ভড়কে দিয়েছেন। তৎকালীন ম্যাদেয়িন শহরের সবচেয়ে বড় মাদক সম্রাট ছিলেন 'পাবলো এস্কোবার' নামে এক ব্যাক্তি। যেহেতু পাবলো জীবিত ছিলো, সান্টিয়াগো গ্যালন ভাত্রিদ্বয় তাকেই টার্গেট করেছিলো মারার জন্য কারণ সে কলম্বিয়া দলের একজন তুখোড় সমর্থক ছিলো৷ পাশাপাশি ন্যাসিওনাল ক্লাবের মালিকানা এবং শহরের মাদকচক্রের শীর্ষ নেতৃত্ব ছিলো তার হাতেই। পাবলো প্লেয়ারদের সাথে বন্ধুভাবাপন্ন ছিলো, তাই তার দলের প্লেয়াররা যাতে অন্যে কোনো ক্লাবে চলে না যায় সেজন্য বিভিন্ন ধরনের লোভনীয় অফার তাদের দেয়া হতো। কলম্বিয়া ফুটবলে গ্যাম্বলিং শুরু হয়েছে তার হাত ধরেই।

এস্কোবারের মৃত্যুর পরে তার পরিবার 'আদ্রেস এস্কোবার প্রজেক্ট' নামে একটি সংস্থা পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়; যেখানে সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র শিশুরা ফুটবল খেলতে পারে। ব্যাক্তিগত জীবনে এস্কোবার দীর্ঘ পাঁচ বছর বান্ধবী পামেলা ক্যাস্কার্দোর সাথে আবদ্ধ ছিলেন। ১৯৯৪ সাল এর শেষের দিকে তাদের বিয়ে হওয়ার কথাও ছিলো!

ক্লাব ক্যারিয়ারে এস্কোবার ২ নাম্বার জার্সি গায়ে সর্বমোট ২২২ বার মাঠে নেমেছেন। জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন ৫১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ!

এস্কোবার হত্যাকান্ড বিশ্বজুড়ে কলম্বিয়ার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। অথচ, সে কিনা চেয়েছিলো দেশকে প্রতিনিধিত্ব করে দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনতে! এস্কোবারকে এখনো যথাবিহিত সম্মান জানানো হয়- ন্যাসিওনালের ফ্যানরাও তার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবেন সবসময়। ফুটবল বিশ্বকে আবেগাপ্লুত করার জন্য তার সর্বশেষ বাণী'টিই যথেষ্ট। মৃত্যুর পূর্বে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এস্কোবার বলেছিলেন,

'এটা সবচেয়ে বিস্ময়কর এবং দূর্লভ অভিজ্ঞতা। আমরা আবারো একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো। কারণ, জীবন এখানেই শেষ নয়'...

জ্বী, জীবন এখানেই শেষ নয়। তবে ফুটবলে আপনার পদচারণ চিরদিনের জন্য বন্ধ হয়ে গেলো; তাও মাত্র ২৭ বছর বয়সে! ফুটবলের ইতিহাস থেকে আদ্রেস এস্কোবার হত্যাকান্ড কখনোই মুছে ফেলা যাবেনা- ফুটবলপ্রিয় মানুষের মন থেকেও।

© আহমদ আতিকুজ্জামান।

'প্যাভিলিয়ন ব্লগ’ একটি কমিউনিটি ব্লগ। প্যাভিলিয়ন ব্লগে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি এবং ভিডিওর সম্পূর্ণ স্বত্ব এবং দায়দায়িত্ব লেখক এবং মন্তব্য প্রকাশকারীর নিজের। কোনো ব্যবহারকারীর মতামত বা ছবি-ভিডিওর কপিরাইট লঙ্ঘনের জন্য প্যাভিলিয়ন কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না। ব্লগের নীতিমালা ভঙ্গ হলেই কেবল সেই অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবেন।