• ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ
  • " />

     

    • ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ

    নাসিরের সেঞ্চুরির সঙ্গে অলরাউন্ডার সানিতে শেখ জামালের জয়

    সুপার লিগ, ফতুল্লা
    প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব ২৩৬ অল-আউট, ৪৮.৩ ওভার 
    শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ২৩৯/৪, ৪৮.৪ ওভার 
    শেখ জামাল ৬ উইকেটে জয়ী 


    নাসির হোসেনের অপরাজিত সেঞ্চুরি ও ইলিয়াস সানির অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে প্রাইম ব্যাংককে হারিয়ে সুপার লিগের শুরুটা দারুণ হলো শেখ জামালের। শুরুতে রুবেল মিয়া ও আটে নেমে আরিফুলের ঝড়ো ফিফটির পর ২৩৬ রানে আটকে গিয়েছিল প্রাইম ব্যাংক। এরপর ওপেনিংয়ে উঠে আসা ইলিয়াস সানির ফিফটির পর নাসিরের সেঞ্চুরিতে শেখ জামাল লক্ষ্যে পৌঁছে গেছে ৬ উইকেট ও ৮ বল বাকি থাকতেই। ১২ ম্যাচে এখন ১৪ পয়েন্ট শেখ জামালের, সমান ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট প্রাইম ব্যাংকের। 

    রানতাড়ায় ব্যাটিং-পজিশনে একটা চমক ছিল শেখ জামালের। আগের তিন ম্যাচে তিনে খেলানো হয়েছিল সানিকে, এবার তুলে আনা হলো ওপেনিংয়েই। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটিটাও পেয়ে গেলেন তাতে। এর আগে ২০১০ সালে জাতীয় ক্রিকেট লিগ ওয়ানডেতে বরিশালের বিপক্ষে সাতে নেমে ৭৯ বলে ৮৭ রান করেছিলেন ঢাকার হয়ে। এদিন ইমতিয়াজ আহমেদের সঙ্গে ৪৫, দিলশান মুনাবিরার সঙ্গে ৩৬ রানের পর নাসিরের সঙ্গে সানির জুটি ৯৩ রানের। ১০৪ বলে ৪ চার ও ১ ছয়ে ৬৭ রান করে তিনি এলবিডব্লিউ হয়েছেন আব্দুর রাজ্জাকের বলে। 



    সানির উইকেটের পর শেখ জামালের প্রয়োজন ছিল ৭৩ রান, নাসির একাই করলেন তার মধ্যে ৫৮ রান। ৫৪ বলে ফিফটি ছুঁয়েছিলেন, সে সময় ৫ চারের সঙ্গে মেরেছিলেন ২ ছয়। সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন ১০০ বলে। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ১১০ বলে ১১২ রান করে, ১০ চারের সঙ্গে মেরেছেন ৩ ছয়। এ মৌসুমে এর আগে একটি ফিফটি ছিল তার। 

    ফতুল্লায় প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম বলেই এনামুল হকের উইকেট হারিয়েছিল প্রাইম ব্যাংক। দ্বিতীয় উইকেটে রুবেল ও নামান ওঝার ১২১ রানের জুটি তাদের ভাল একটা ভিত দিয়েছিল। তবে তানভীর হায়দার ও সানির তোপে পড়ে এরপর ধস নেমেছিল প্রাইম ব্যাংকের ইনিংসে- ১৯ রানের ব্যবধানে তারা হারিয়েছে ৫ উইকেট। 

     

     

    সেখান থেকে মনির হোসেন ও আব্দুর রাজ্জাককে নিয়ে এগিয়েছেন আরিফুল, ৩৮ বলে করেছেন ফিফটি। শেষ পর্যন্ত আউট হয়েছেন ৫১ বলে ৭৪ রানে, ৭টি ছয়ের সঙ্গে মেরেছেন ২টি চার। এ মৌসুমে দ্বিতীয়বার কোনও ব্যাটসম্যান মারলেন এতগুলো ছয়। 

    ১০ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন সানি, তানভীর একটু খরুচে থাকলেও সমানসংখ্যক উইকেট তারও।