• শ্রীলংকার পাকিস্তান সফর
  • " />

     

    পাকিস্তানকে সম্পূর্ণ নিরাপদ বললেন শ্রীলংকার কোচ

    পাকিস্তানের দশ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়েছে শ্রীলংকা দল। ‘নির্বাসনে’ থাকা পাকিস্তানে এসে নির্বিঘ্নেই ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলে গেলো লংকানরা। সিরিজ শেষে দেশে ফেরার আগে শ্রীলংকার কোচ রুমেশ রত্নায়েকে বলছেন, পাকিস্তান এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য পুরোপুরি নিরাপদ। 

    বছরের মাঝপথে নির্ধারিত হয় পাকিস্তান-শ্রীলংকা সিরিজের সূচি। সফরের দল ঘোষণার আগে নিরাপত্তা ইস্যুতে থেকে সরে দাঁড়ান লংকান অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে, লাসিথ মালিঙ্গাসহ দশজন সিনিয়র ক্রিকেটার। এতে খানিকটা সংশয়ে পড়ে শ্রীলংকার সফর। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় সারির দল নিয়েই পাকিস্তানে আসে শ্রীলংকা। বিমানবন্দরে নামার পর থেকেই হোটেল, স্টেডিয়ামে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাই দেওয়া হয়েছে লংকান দলের প্রতিটি সদস্যকে। 

    রত্নায়েকে বলছেন, শ্রীলংকার এই সফর অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে পাকিস্তানে আসতে, ‘এই সফরটা পুরো পৃথিবীর জন্য একটা বার্তা। শ্রীলংকার যেসব ক্রিকেটার ভবিষ্যতে সিরিজ খেলতে আসবে বলে ভাবছে, তাদের জন্যও। সবকিছু দারুণভাবে শেষ হয়েছে। আমাদের এখানে খেলতে আসা অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে। পাকিস্তানের আতিথিয়তা অনুভব করা দারুণ একটা ব্যাপার। অনেক বছর পর এই অনুভূতিটা পেয়েছি। আমাদের এখানে আনতে তাদের সবাই অনেক কঠোর পরিশ্রম করেছে। এখানে প্রতিটা মুহূর্ত আমি উপভোগ করেছি। যদিও আমাদের অনেকেই কিছুটা সন্দেহ নিয়েই এখানে এসেছিল। সব সন্দেহই দূর হয়েছে।’  

    হোটেলের মতো স্টেডিয়ামের নিরাপত্তাও ছিল নজিরবিহীন 

     

    পাকিস্তানে হওয়া পরবর্তী সিরিজে শ্রীলংকার সিনিয়র ক্রিকেটারদের সবাই আসবেন, এমনটাই বিশ্বাস রত্নায়েকের, ‘আমরা সবাইকে বুঝানোর চেষ্টা করব যে পাকিস্তান নিরাপদ। আশা করি সবাই এটা বুঝবে, আর অনেকে তো এখানে এসে সেটা দেখেই গেল। তবে আমরা কাউকে জোর করব না। এই সিরিজটা সফলভাবে হওয়ার পর তারা নিশ্চয়ই নিজেদের মত পাল্টাবে।’

    ছয় ম্যাচের প্রতিটিতেই কানায় কানায় পূর্ণ ছিল স্টেডিয়াম। পাকিস্তানের দর্শককেও সাধুবাদ জানিয়েছেন পাকিস্তানের মাটিতে সাতটি টেস্টে ও ১৬টি ওয়ানডে খেলা রত্নায়েকে, ‘৩০ বছর আগে যেমনটা ছিল এখানকার সমর্থকরা, এখনো তেমনই আছে। তাদের হাতে ‘স্বাগতম শ্রীলংকা’ পোষ্টার দেখে খুবই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলাম।’ 

    এদিকে শ্রীলংকা ওপেনার দানুস্কা গুনাথিলাকা টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় বলেছেন, পাকিস্তান এখন খেলার জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ, ‘পিসিবি তাদের দর্শকের সামনে আন্তর্জাতিক ম্যাচ ফিরিয়ে আনছে। তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অসাধারণ। আশা করি সব দেশ এখানে খেলতে আসবে। পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য নিরাপদ। তাদের সমর্থকরা মাঠে বসে খেলা দেখার অধিকার রাখে।’ 

     

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন