• আইপিএল ২০২০
  • " />

     

    অ্যাকশন বৈধ হওয়ার সবুজ সংকেত পেলেন নারাইন

    হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন সুনীল নারাইন। আরও একবার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে বিপাকে পড়তে যাচ্ছিলেন এই উইন্ডিজ স্পিনার। আইপিএলে পাঞ্জাবের বিপক্ষে কলকাতার হয়ে খেলার সময় তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে আপত্তি তোলেন মাঠের দুই আম্পায়ার। তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাকে ‘ওয়ার্নিং লিস্টে’ রেখেছিল আইপিএলের গভার্নিং কমিটি। আর একবার এমন অভিযোগ উঠলেই আইপিএলে বোলিং করা থেকে নিষিদ্ধ হয়ে যেতে পারতেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত তার বোলিং পর্যালোচনা করে কোনো খুঁত খুঁজে পায়নি সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন বিচারের জন্য গঠিত আইপিএলের বিশেষ কমিটি।


    পাঞ্জাবের বিপক্ষে ম্যাচের পর দুই ম্যাচের জন্য সতর্কতা হিসেবে তাকে একাদশে রাখেনি কলকাতা। ক্লাবটি আইপিএলের সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন বিচারের জন্য গঠিত আইপিএলের বিশেষ কমিটির কাছে তার বোলিং অ্যাকশন ঠিক কিনা তা খতিয়ে দেখতে অনুরোধ করেছিল। কমিটি তার বোলিংয়ের ফুটেজ পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, ‘তার কনুই বোলিংয়ের সময় যতটুকু বেঁকে যায় সেটা অনুমোদিত সীমার মধ্যেই রয়েছে।’ আর তাই ওয়ার্নিং লিস্ট থেকে তার নাম সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    নারাইনের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে অবশ্য এবারই প্রথম প্রশ্ন উঠেছে এমনটা নয়, এর আগেও ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে এই সমস্যার সঙ্গে লড়তে হয়েছে তাকে। এমনকি অ্যাকশন নিয়ে জটিলতার কারণে ২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপও খেলা হয়নি তার। বর্তমানে বিলুপ্ত চ্যাম্পিয়নস লিগ টি-টোয়েন্টিতে ২০১৪ সালে দুইবার তার অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, আর তাই সেবার ফাইনালে কলকাতার হয়ে মাঠে নামা হয়নি তার। আর ২০১৫ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাল্লেকেলেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ওয়ানডে খেলার সময় আবারও তার অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

    এরপর ২০১৫ আইপিএল এবং ২০১৮ পিএসএলের সময়ও তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে অভিযোগ করেন আম্পায়াররা।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন