X
GO11IPL2020
  • ক্রিকেট

জাতীয় দলের জার্সি গায়ে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে গিয়েছিলেন এনামুল হক জুনিয়র

পোস্টটি ২০৫৭ বার পঠিত হয়েছে
'আউটফিল্ড’ একটি কমিউনিটি ব্লগ। এখানে প্রকাশিত সব লেখা-মন্তব্য-ছবি-ভিডিও প্যাভিলিয়ন পাঠকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজ উদ্যোগে করে থাকেন; তাই এসবের সম্পূর্ণ স্বত্ব এবং দায়দায়িত্ব লেখক ও মন্তব্য প্রকাশকারীর নিজের। কোনো ব্যবহারকারীর মতামত বা ছবি-ভিডিওর কপিরাইট লঙ্ঘনের জন্য প্যাভিলিয়ন কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না। ব্লগের নীতিমালা ভঙ্গ হলেই কেবল সেই অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবেন।
টেস্ট এবং ওডিআই দুই অভিষেকেই ক্যাপ নম্বর ৭৫, বর্তমানে বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসানের জার্সি নম্বর। গড়তে পারতেন বল হাতে সাকিবের মতোই ক্যারিয়ার। কথা হচ্ছিলো বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়ের নায়ক সিলেটের এনামুল হক জুনিয়রের কথা। এক সময়ের জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য এনামুল হক জুনিয়রের নাম এ দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের অন্তরে গেঁথে আছে ২০০৪-০৫ মৌসুমের চট্টগ্রাম টেস্টের কারণে।
 
টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তির ৫ বছরে ৩১ ম্যাচ খেলে পরিসংখ্যান জয়শূন্য বাংলাদেশ দল। তখন প্রশ্ন উঠতে থাকে বাংলাদেশের টেস্ট স্ট্যাটাসের যৌক্তিকতা নিয়ে। প্রশ্ন উত্থাপন করা ব্যক্তিদের প্রশ্নের জবাব পারফরম্যান্সেই দিয়েছিলো বাংলাদেশ। এনামুল হক জুনিয়রের অবদানেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়েছিলো বাংলাদেশ।
 
প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে নেন ৪৫ রান খরচায় ৬ উইকেট। কোনো বাংলাদেশীর এটাই সেরা বোলিং ফিগার টেস্টে তখনকার দিনে। জয়ের জন্য ৫ম দিনে জিম্বাবুয়ের প্রয়োজন ২২৭ রান আর বাংলাদেশের ১ উইকেট। ঘড়ির কাঁটা দুপুর ১টা ছুঁই ছুঁই। এনামুলের বলে সিলি পয়েন্টে থাকা আশরাফুলের হাতে এমপুফুর ক্যাচ। তারপর শুরু সারা মাঠে জাতীয় পতাকা আর ষ্ট্যাম্প হাতে প্রদক্ষিণ। কেউ সারামাঠ ডিগবাজি খেয়েছেন আবার কিছুক্ষণ পর পর আশরাফুল মাঠে সুইমিংপুলের মত ঝাঁপ দিচ্ছিলেন। উল্লাস আর উদযাপনের কোনো নির্দিষ্ট ভাষা নেই, নিয়ম নেই, প্রথম টেস্ট জয়ের পর যারা এই বাঁধভাঙা উল্লাস দেখেছে তা সবার মুখস্থ।
 
r
 
ম্যাচশেষে হোটেলে ফিরতে ৫/৭ মিনিটে পথ পাড়ি দিতে সেদিন সময় লেগেছিলো এক ঘন্টারও বেশী। দেশের ক্রিকেটের অন্যতম এই সেরা অর্জনে চট্টগ্রামের রাস্তায় উল্লাস করা মানুষদের ভীড় ঠেলে, খেলোয়াড়দের গাড়ি হোটেলে ফেরত যাওয়া দূরহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। পরের টেস্টে ৯৫ রান খরচায় ৭ উইকেট নিয়ে আগের ম্যাচে নিজের গড়া রেকর্ডটি ভেঙে দেন এনামুল জুনিয়র। দ্বিতীয় টেস্ট ড্র হলে ১-০ ব্যবধানে নিজেদের প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় করে নেয় বাংলাদেশ। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ বোলার হিসেবে এক টেস্টে ১২ উইকেট সংগ্রহ করে বিশ্বরেকর্ড করেন এনামুল মাত্র ১৮ বছর ৪০ দিনে বয়সে। এরপূর্বে এই রেকর্ডটি ছিলো পাকিস্তানের কিংবদন্তী পেসার ওয়াসিম আকরামের দখলে।
 
২০০৩ সালের শেষদিকের কথা। বাংলাদেশ সফরে এসেছিলো ইংলিশরা। সেই সিরিজেই মাত্র ১৬ বছর বয়সে টেস্টে অভিষেক হয়েছিলো এনামুলের। এত অল্প বয়সে কারো টেস্ট অভিষেক হচ্ছে তা বিশ্বাস করতে না পেরে তার বিরুদ্ধে বয়স লুকানোর অভিযোগ করেছিলো ব্রিটিশ গণমাধ্যম। সিরিজ শুরুর পূর্বে আয়োজিত প্রস্ততি ম্যাচে ইংল্যান্ড দলের গলার কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছিলো তরুণ এনামুল হক জুনিয়র। ইংল্যান্ডের বাঘা বাঘা ক্রিকেটারদের নিজের স্পিন ঘূর্ণিতে নাস্তানাবুদ করে ফেলেন এনামুল হক জুনিয়র। প্রস্তুতি ম্যাচে ০ রানে চার উইকেট হারায় ইংল্যান্ড, যার মধ্যে এনামুল হক জুনিয়রের শিকার ছিলো তিনটি।
 
১৬ বছর বয়সী এক তরুণ এমন বোলিং করতে পারে তা মেনেই নিতে পারছিলো না তখনকার ইংলিশ গণমাধ্যম। ডেভ হোয়াটমোরের পছন্দে টেস্ট স্কোয়াডে ডাক পান এনামুল হক জুনিয়র। কোচের পছন্দের তালিকায় এক নম্বরে উঠে আসেন প্রস্তুতি ম্যাচের পারফরম্যান্স দিয়ে। অনেকদিন ধরেই কোচ চাচ্ছিলেন মোহাম্মদ রফিকের একজন যোগ্য স্পিন সঙ্গী দলে আসুক। যাদের জুটি টেস্টে এগিয়ে নিয়ে যাবে দল কে বহুদূর, উন্মোচন করতে পারবে নব দিগন্তের দ্বার। পরক্ষণেই নির্বাচক ফারুক আহমেদ এনামুল হক জুনিয়র কে জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুসংবাদ দেন।
 
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বছরখানেক পার না হতেই নিজের জাত চিনিয়েছিলেন ক্ষুরধার বোলিং দিয়ে। সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন টেস্টে মোহাম্মদ রফিকের যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে দলে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করার। টেস্টে দীর্ঘক্ষণ ক্লান্তিহীন একটানা বোলিং করার যোগ্যতা রাখতেন তিনি। এক লাইন ও লেন্থের উপর বোলিং করে ব্যাটসম্যানের উইকেট ছিনিয়ে নেওয়ার বেলায়ও ছিলেন সমান পারদর্শী। একসময় দেশসেরা টেস্ট স্পিনার হওয়ার সম্ভাবনা জাগলেও পরবর্তীতে তা ফিকে হয়ে যায়। এর জন্য বাংলাদেশ দলের টেস্টে অনিয়মিত উপস্থিতিও অন্যতম কারণ।
 
test jr
 
তুমুল সম্ভাবনা জাগিয়েও নিজেকে সঠিকভাবে মেলে ধরতে পারেননি তিনি। ২০০৫ সালের জানুয়ারি তে নিজেদের প্রথম টেস্ট জয়ের নায়ক কে নিয়েই শ্রীলঙ্কা সফরে যায় বাংলাদেশ, দেশের মাটিতে যতটা কার্যকর ঠিক ততোটাই অকার্যকর প্রমাণিত হোন তিনি বিদেশের মাটিতে। শ্রীলঙ্কা সফরের টানা দুই টেস্ট ম্যাচ উইকেট শূন্য থাকেন এনামুল। সেই সফরে তার কাছ থেকে বোলিংয়ে বিচক্ষণতার পরিচয় পাওয়া যায়নি মোটেও, একইভাবে ব্যাটসম্যানরাও ব্যর্থ হয়েছিলেন দুই টেস্টেই এনামুলের বোলিংয়ের মত। দুই টেস্টেই ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত হয় বাংলাদেশ।
 
ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত ঈর্ষা জাগানিয়া পারফরম্যান্স করা এনামুলের ক্যারিয়ার জাতীয় দলের জার্সিতে দিন কে দিন মলিন হয়ে আসছিলো। রফিকের উওরসূরী ভাবা এনামুল মাঠে অবদান রাখতে বারবার ব্যর্থ হচ্ছিলেন। ২০০৫-২০১০ পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে সাদা জার্সিতে দেশের মাটিতে শ্রীলঙ্কা, নিউজিল্যান্ড, অষ্ট্রেলিয়া, ভারতের বিপক্ষে খেললেও প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ এনামুল। মাঝে ২০০৯ সালে উইন্ডিজদের মাটিতে টেস্ট সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। সেখানে পরপর দুই ইনিংসে তিন উইকেট নিয়ে নতুনরূপে ফেরার ইঙ্গিত দেন তিনি। যদিও আর ফেরা হয়নি। চার বছর পর ২০১৩ সালে হারারে তে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ফিরে এসে প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেট আর দ্বিতীয় ইনিংসে উইকেট শূন্য থাকেন। এর পরবর্তীতে একই বছর সাকিবের অনুপস্থিতিতে শ্রীলঙ্কা সফরে ডাক পেলেও খেলা হয়নি কোনো ম্যাচ। হারারে তে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলা টেস্ট টিই এখন পর্যন্ত তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট। ১৫ টেস্টে ৩ বার ৫ উইকেট সহ মোট ৪৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি জাতীয় দলের সাদা জার্সি গায়ে।
 
রঙিন জার্সিতেও তার ক্যারিয়ার ছিলো খুব সংক্ষিপ্ত। রঙিন পোশাকে সবগুলো ম্যাচ খেলেছিলেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। মাত্র ১০ ম্যাচের ক্যারিয়ারের অভিষেক ঘটে ২০০৫ সালে টেস্ট সিরিজ জয় পরবর্তী অনুষ্ঠিত ওডিআই সিরিজে। তিন ম্যাচের সিরিজে নেন ৪ উইকেট। এরপর লম্বা বিরতিতে ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের মাঠে আবারও ফিরে আসেন। সেই সিরিজেও তার শিকার ৪ উইকেট। একই বছরে ঘরের মাঠে ৬ উইকেট শিকার করেন। প্রথম ম্যাচে ৪৫ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ফিগারের কীর্তি গড়েন, পরের ম্যাচেই আবার ১৬ রানে ৩ উইকেট নিয়ে আগের দিনের নিজের সেরা বোলিং ফিগার কে পেছনে ফেলেন। এরপর আর রঙিন পোশাকে মাঠে নামা হয়নি। সবমিলিয়ে ১০ ম্যাচে তার ঝুলিতে রয়েছে ১৪ উইকেট।
 
odi jr
 
এনামুল হক জুনিয়রের বিয়ের গল্পটা রোমাঞ্চকর। ২০০৯-১০ সালের প্রিমিয়ার লীগের ম্যাচ চলাকালীন কলাবাগান মাঠে নূপুর আজিজ (এনামুলের স্ত্রী) নামের এক মেয়ের সাথে তার পরিচয় হয়। প্রথম দেখাতেই পছন্দ হয়ে যায় তার নূপুর কে। যদিও নূপুর জানিয়েছিলেন, 'আমার মায়ের সাথে এসে কথা বলতে হবে।' প্রথম দেখার দিন দুয়েক না পেরোতেই একদিন রাত ১১ঃ৩০-১২ টা নাগাদ আকষ্মিক নূপুরের বাসায় জাতীয় দলের জার্সি গায়ে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে হাজির এনামুল হক জুনিয়র। জাতীয় দলে তখন নিয়মিত খেলোয়াড় হওয়ায় সেই জার্সি কাজে দিয়েছিলো বিয়ের প্রস্তাবে নূপুরের মায়ের মুখ থেকে হ্যাঁ আদায় করতে। বিয়ের পরবর্তী সময়ে সেই লাকি জার্সি কে ফ্রেম করে রেখে দিয়েছিলেন তিনি বাসায়।  
 
biye jr
 
জাতীয় দলে আর ফেরা না হলেও নিয়মিত পারফর্ম করে যাচ্ছেন তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে। ক্রিকেট কে ভালোবাসে এখনও ক্যারিয়ারের প্রথম ম্যাচের মতোই সমান উৎসাহ নিয়ে খেলে যাচ্ছেন ঘরোয়া লীগের প্রতিটি ম্যাচ। নিজের সেরাটা দিয়ে লড়ে যান প্রতিপক্ষের বিপক্ষে। ২০১১ সালে ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ৩০০ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন। প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে নিয়েছেন ঘরোয়া প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে নিয়েছেন ৪০০ উইকেটও। ২০১৩ সালে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে অংশ নিয়েছেন ভারতের রঞ্জি ট্রফিতে। একই বছর ওলভারহ্যাম্পটন ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে বার্মিংহাম প্রিমিয়ার লীগ খেলার জন্য বিদেশি খেলোয়াড় হিসেবে নিয়ে যাওয়া হয়। এই টুর্নামেন্টে তিনি ১১ ম্যাচ খেলে ৩০ উইকেট নেন। এবং বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করেন।
 
নিয়মিত ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো করলেও উপেক্ষার শিকার হয়ে হতাশ হয়েছেন বারবার। যদিও থেমে যায়নি তার পরিশ্রমের মাত্রা। দিন কে দিন বাড়িয়েছেন নিজের পরিশ্রম। একের পর এক সফলতাও এসে ধরা দিয়েছে তার কাছে। ঘরোয়া ক্রিকেটের এক জীবন্ত কিংবদন্তী হয়ে এখনও নিয়মিত খেলে যাচ্ছেন তিনি। স্বপ্ন দেখেন আবারও ফিরবেন তিনি জাতীয় দলের জার্সিতে। বিপিএলের প্রথম দুই আসরে অংশ নিয়েছিলেন চিটাগাং কিংসের হয়ে। ছিলেন টূর্ণামেন্টে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীদের তালিকায়। চিটাগাং ভাইকিংস, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স এবং চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হয়েও বিপিএল খেলেছেন তিনি।
 
ক্যারিয়ারের সূচনালগ্নে যেমন আন্তরিকতা, পরিশ্রম ও সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার সাথে খেলতেন, এখনও তার ব্যতিক্রম ঘটেনা তার বেলায়। তাই তো ক্যারিয়ারের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত যতবার ৫ উইকেট পেয়েছেন আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেটে, ততবার সেই বল নিয়ে গিয়েছেন নিজের বাসায় ম্যাচ শেষে। এই ধারা অব্যাহত রেখেছেন এখন অব্দি। ক্রিকেটের প্রতি আবেগ ও ভালোবাসা নিয়ে খেলে যেতে চান যতদিন শারীরিকভাবে ফিট থাকবেন। নিজের সেরাটা দিয়ে উজাড় করে দিতে চান সিলেটের এই তারকা ক্রিকেটার।
 
450 jr
 
ঘরোয়া প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ১৩১ ম্যাচে তার উইকেট সংখ্যা ৪৮৪। প্রথম শ্রেণীর ক্যারিয়ারে ৫০০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁই ছুঁই অবস্থায় দাঁঁড়িয়ে এনামুল হক জুনিয়র। মাইলফলক স্পর্শ করতে পারলে হয়ে যাবেন আব্দুর রাজ্জাকের পর ৫০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শকারী দ্বিতীয় বোলার। যদিও মাইলফলকের চেয়েও তিনি দেশের ক্রিকেট কে সেবা দেওয়াটাকেই বেশী প্রাধান্য দিয়ে আসছেন ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই। তাই মাইলফলক স্পর্শ করতে পারলে গৌরবান্বিত হওয়ার পাশাপাশি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করবেন তিনি একটানা এতবছর দেশের ক্রিকেটের সেবা করতে পেরে।