• ক্রিকেট

রাজসিক প্রত্যাবর্তনে অবজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি, অত:পর বিদায়

পোস্টটি ৬৯০ বার পঠিত হয়েছে
'আউটফিল্ড’ একটি কমিউনিটি ব্লগ। এখানে প্রকাশিত সব লেখা-মন্তব্য-ছবি-ভিডিও প্যাভিলিয়ন পাঠকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজ উদ্যোগে করে থাকেন; তাই এসবের সম্পূর্ণ স্বত্ব এবং দায়দায়িত্ব লেখক ও মন্তব্য প্রকাশকারীর নিজের। কোনো ব্যবহারকারীর মতামত বা ছবি-ভিডিওর কপিরাইট লঙ্ঘনের জন্য প্যাভিলিয়ন কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না। ব্লগের নীতিমালা ভঙ্গ হলেই কেবল সেই অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবেন।

 

"মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ য়্যুল বি দ্যা নেক্সট বিগ থিং ফর বাংলাদেশ ক্রিকেট" কথাটা আমার নয়, ক্রিকেট গ্রেট শচীন টেন্ডুলকারের। মাহমুদউল্লাহ বিগ থিং হতে পেরেছেন কিনা তা তর্কসাপেক্ষ। কোনো এক ফরম্যাটেও কি হতে পেরেছেন ? সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলেও বসতে হবে পরিসংখ্যানের পাতা খুলে। তবে পরিসংখ্যান নয়! পরিস্থিতি দিয়ে বিবেচনা করতে হয় রিয়াদের মত ক্রাইসিস ম্যানদের। ২০১০ সালে বাংলাদেশ সফরে এসে কাঁধের ইঞ্জুরি নিয়ে দেশে ফেরত যাওয়ার আগে নিজের এজেন্ট দ্বারা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ব্যাটের স্পন্সরও যোগাড় করে দিয়েছিলেন। 

অথচ, খোদ রিয়াদই জানতেন না! এমন উঁচু মাপের কেউ সুপারিশ করে গেছেন তার নামে। সে মূহুর্তে রিয়াদেরও স্পন্সর খুব জরুরি ছিলো। আরেকটু খোলাসা করে বললে দুই টেস্টের সিরিজে রিয়াদের দুটো ইনিংস ছিলো। প্রথমটি ৬৯ আর দ্বিতীয়টি অপরাজিত ৯৬*। এসবই মূলত শচীনকে এমনটা ভাবতে বাধ্য করেছিলো। দ্বিতীয় ইনিংসে রিয়াদ শতকের কাছে গিয়েও ৯৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। অপরপ্রান্তে রুবেল হোসেন শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে হরভজনের বলে বোল্ড হয়ে গেলে আর হয়নি পাওয়া শতকের দেখা। 

এত দূরের ইতিহাস টানলাম রিয়াদকে একজন বিশেষজ্ঞের দ্বারা ব্যাখ্যা করার উদ্দেশ্যে। শচীন টেন্ডুলকারকে বিশেষজ্ঞ বললে কেউ আপত্তি জানাবেন বলে আমার মনে হয়না। রিয়াদ হুট করেই অবসর নিয়ে নিলেন টেস্ট থেকে। প্রথমে গুঞ্জন উঠলেও এবার তা সত্যিই করে দিলেন রিয়াদ। আমি এ সিদ্ধান্ত বেশ ভালোভাবেই দেখছি। সেরা সিদ্ধান্ত বলেই বিবেচনা করছি। 

রিয়াদের টেস্ট ক্রিকেটে বিশেষ কিছু দেওয়ার সময় পেরিয়ে গেছে। ধারাবাহিক নৈপুণ্যে ছিলোনা এই কথা যেমন সত্য, একইভাবে প্রত্যাবর্তনে যা করলেন তাকে রাজসিক না বলেও উপায় নেই। দল থেকে বাদ পড়ার আগেও শেষ ৯ টেস্টে হাঁকিয়েছিলেন ৩ শতক। তাহলে বাদ পড়ার প্রক্রিয়া কি সঠিক ছিলো ? না, ছিলোনা। দলে ফেরত আনার প্রক্রিয়াও ভুল ছিলো। ব্যাখ্যা শেষদিকে দিচ্ছি। শুধু এতটুকু মাথায় রাখুন — রিয়াদ ভালো না করলেও তাকে দল থেকে বাদ দেওয়া আবার দলে অন্তর্ভূক্তির কোনো সিদ্ধান্তই যৌক্তিক ছিলোনা। এরপরেও বলছি...রিয়াদ কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে নিজেকে বড় করে তুলে ধরতে পারেননি কখনোই। নিয়ে যেতে পারেননি বৃহৎ উঁচুতে।

২০১৭ তে শততম টেস্টের আগে প্রথম রিয়াদকে বাদ দেয়া হয়। অভিমানে তিনি দেশে ফিরলেন নাকি হাতুরাসিংহে পাঠালেন! তা নিয়ে বেশ সন্দেহ আছে আমার মাঝে। অনেক গণমাধ্যমের খবর — শাস্তিস্বরূপ পাঠানো হয়েছে দেশে। সে যাই হোক, তাকে বাদ দেয়া হলো। কিন্তু, বছরের শেষে হাতুরাসিংহে নিজেই বাংলাদেশ ক্রিকেটের কোচিং পদের চাকরি ছেড়ে নিজ দেশের দায়িত্ব নিলেন। প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট ঘুরেফিরে বাংলাদেশ। ভাগ্যের কি খেল! সাকিবের ইঞ্জুরিতে হাতুরাসিংহের দলের বিপক্ষে টেস্ট অধিনায়ক রিয়াদ। প্রথম টেস্টে চট্টগ্রামে খেলেছেনও বেশ ৮৩ রানের ইনিংস। পরের টেস্টে মিরপুরে ব্যর্থ। দল হারলো ১-০ ব্যবধানে।

এরপর, স্টিভ রোডসের সান্নিধ্যে রিয়াদও উইন্ডিজ সফরের প্লেন ধরলেন। টেস্টে দলের পারফরম্যান্স হলো ভয়াবহ খারাপ। রিয়াদও ছিলেন বাকিদের মতো পুরোপুরি ব্যর্থ। তবে এবার সর্বদিক থেকে সমালোচনা তীব্র হলো তাকে ঘিরে। অফ-ফর্মের চাপ সামাল দেয়া কোনোক্রমেই সহজ ছিলোনা রিয়াদের জন্য। 

পরবর্তীতে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ব্যর্থ হয়ে পরের টেস্টে মিরপুরে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতক হাঁকালেন দীর্ঘ ৮ বছরের বিরতি ভেঙে। সেখান থেকেই শুরু নতুন দিনের। হোম সিরিজে উইন্ডিজদের বিপক্ষেও শতক। এ শতকে পাওয়া গিয়েছিলো আত্মবিশ্বাসী রিয়াদকে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হাঁকানো শতকে তাকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রিত মনে না হলেও, উইন্ডিজের বিপক্ষে অনেকখানি নির্ভার ছিলেন আগের তুলনায়। পরপর দুই শতকে সমালোচনাকে জবাব দেয়া শেষ। এবার টেস্ট ক্রিকেটে পূর্ণ মনযোগ দেয়ার পালা। 

পিঙ্ক বলে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের পরাজয় অনুমেয় ছিলো। মুশফিক ছাড়া ব্যাটে সবাই ব্যর্থ। চট্টগ্রামে আফগানদের বিপক্ষেও দৃশ্যপট একই। তবুও দুই সিরিজ মিলিয়ে বেশিরভাগ দোষ রিয়াদের ঘাড়ে উঠলো। ছেঁটে ফেলতে হবে দল থেকে একজনকে, তিনি রিয়াদ।

এ দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। আফগান টেস্টের আগে ৬ টেস্টে ৩ টি শতক ছিলো তার।  এরমধ্যে কিউইদের মাটিতেও ক্যারিয়ার সেরা ১৪৬ রানের ইনিংস ছিলো। ভারতের বিপক্ষে সিরিজের পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা তৈরি হলেও তা আসলেই আমলে নেওয়ার মত কি ছিলো ? ছিলোনা বলেই আমার বিশ্বাস। পুরো দল ভারতে ব্যর্থতার লজ্জায় ডুবে ছিলো। "বাংলাদেশের কাছে আমার প্রশ্ন তাদের কাছে টেস্ট ক্রিকেটের মানে কি ?" ভিরাট কোহলির সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য নিশ্চয়ই সবার মনে আছে। কতটুকু লজ্জা আপনি পেয়েছিলেন সমর্থক হিসেবে ? 

২০২০ এর শুরুতে, রাওয়ালপিন্ডি টেস্ট রিয়াদের বাদ পড়ার মূল কারণ হিসেবে ধরা হয়। নাসিম শাহর হ্যাট-ট্রিক বল দায়সারাভাবে খেলার ধরনই কাল হয়ে দাঁড়ায় নাকি তার জন্য। অফ স্ট্যাম্পের বল লিভ না করে কাভার ড্রাইভ করতে গিয়ে হ্যাট-ট্রিকের শেষ শিকার বনে যান। এই খেলার ধরনকেই তার বাদ পড়ার মূল কারণ ধরেন অনেকেই। এরপর তো ডমিঙ্গো তাকে বাতিলের খাতায় ফেলে দিলো অবসরের পরামর্শ দিয়ে। রিয়াদকে জানিয়ে দেয়া হলো তোমাকে ঘিরে আমার কোনো পরিকল্পনা নেই। লাল বলের চুক্তি থেকেও কাটা পড়লো নাম। লাল বলের সিরিজ এলেই একাডেমি মাঠের নেটে বা ঘরের সোফায় টিভি পর্দায় খেলা দেখে সময় কাটাতে হয়। খেলতে চাচ্ছেন এমন কাউকে সরাসরি বাতিলের খাতায় ফেলে দেওয়ার ঘোষণা নিঃসন্দেহ তার আত্মবিশ্বাসের দেয়ালে পেরেক ঠুকে দেয়। 

একটা কথা পরিষ্কার হতে হবে, 'যাকে বাতিলের খাতায় ঠেলে দিলাম, তাকে আর ফের‍ত আনা হবেনা কোনোক্রমেই।' হাস্যকর হলো — বাংলাদেশ ক্রিকেটের সিদ্ধান্ত আর পাইপলাইন এতোটাই নড়বড়ে যে উইন্ডিজদের বিপক্ষে বছরের শুরুতে হোম সিরিজে আবারও রিয়াদকে দলে টানার উপলক্ষ তৈরি হলো, অন্যকাউকে পাওয়া গেলোনা তার জায়গায়। যদিও তিনি ইঞ্জুরির কারণে আসেননি। বাতিলের খাতায় ফেলে দেওয়া কাউকে আমি ফেরত আনতে পারিনা। বাতিল মানে বাদ, আর সুযোগ নেই। এমনটাই এর অর্থ দাঁড়ায়। নতুন কাউকে চেষ্টা করবো, সময় ও শ্রম বিনিয়োগ করবো। ইয়াসির আলী কেন দলে সুযোগ পেলো না এতদিন দলের সাথে থাকার পরেও ? এভাবে তো ক্রিকেট চলেনা। এই মান্ধাতা আমলের নিয়মে ক্রিকেট চললে সামনে আরও দূর্দিন আসছে।

সদ্য সমাপ্ত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তামিমের ইঞ্জুরির কথা ভেবে তো রিয়াদকে না ইয়াসির আলীকেই মাঠে নামানো যেতো। দুই বছর ধরে পানিই টেনে যাচ্ছে, আত্মবিশ্বাস নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে তার। যাকে বাতিলের খাতায় রাখলাম, তাকে না এনে তো আমি ভবিষ্যতে যারা নেতৃত্ব দেবে তাদের টেনে আনবো দলে। এখন নিশ্চয়ই সবাই বুঝতে পারছেন, রিয়াদকে দলে আনার প্রক্রিয়া ভুল বলেছিলাম শুরুতেই। রিয়াদের বয়স ৩৫ পেরিয়ে গেছে। নতুন কাউকে তার জায়গায় তৈরি করতে হবে। তার সমকখ্য কাউকে খুঁজতে হবে। আর সমকখ্য হতে হলে সুযোগ প্রয়োজন। যেহেতু রিয়াদকে বাতিলের খাতায় টুকে দেওয়া হয়েছে, তাহলে অন্যকোনো তরুণকে সুযোগ দেওয়া উচিত ছিলো। খুব দূরে না হোক! অন্তত রাব্বি সুযোগ পেতে পারতো।

যাই হোক, একাদশে সুযোগ পাওয়াটা রিয়াদের জন্য ছিলো বড় সুযোগ। সুযোগ পেয়ে ডাগআউটে অবস্থান করা কোচকে উদযাপন করে কিছু একটার জবাব দিলেন। উদযাপনে যে হুংকার দিলেন, তাতেই অনেক অবজ্ঞার জবাব মিলেছে স্পষ্টভাবে। 'আমিও এই ফরম্যাটের যোগ্য' মাঠ থেকে তাই প্রমাণ করলেন রিয়াদ। অপরাজিত ১৫০ রানের ইনিংসে রিয়াদ নিজেকে ক্যারিয়ারের অন্যান্যদিনের তুলনায় ছাড়িয়ে নিয়ে গেছেন। তাই অবসর নেওয়ার এটাই মোক্ষম সময় ছিলো। পর্যাপ্ত সম্মান ও ভালোবাসার জন্য হলেও। সম্মান ও ভালোনাসার আশা সবাই করে। রিয়াদও করেন নিঃসন্দেহে। রিয়াদকে নিয়ে এভাবেই নানান কাঁটা ছেঁড়া চলতেই থাকবে। কোচ ও নির্বাচকদের সিদ্ধান্তহীনতায় তাকে পুতুল নাচ নাচতে হবে। এরচেয়ে সম্মানের সাথে অবসরে যাওয়াই তো উত্তম সিদ্ধান্ত।

মাঠ থেকে সবাই বিদায় নিতে পারেনা। অবসরের গুঞ্জন উঠার পর থেকেই আমার মাথায় বারবার সাঙ্গাকারা আর মাহেলার নাম ঘোরপাক খাচ্ছিলো। মাহেলা না হোক! সাঙ্গা তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা সময়েই বিদায় নিয়েছিলেন। যদিও, খুব একটা খারাপ সময় তার ক্যারিয়ারে কখনোই আসেনি। রিয়াদ এখন অবসর নিয়ে নিজেকে সেরা প্রমাণ করেই বিদায় নিলেন। কিংবদন্তি আবহ তৈরি হয়েছে। সেরা সময়ে বিদায় নেওয়ার সাহস সবাই করেনা। রিয়াদ করেছেন, তাই এই বিদায় রাজসিক। প্রত্যাবর্তন তো হয় রাজসিক হরহামেশাই। কিন্তু, এমন রাজসিক প্রস্থান তো আর সকলের হয়না।

রিয়াদের সক্ষমতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছিলো তার জবাব ব্যাটে হয়েই গেছে। অভিজ্ঞতার মূল্য রিয়াদ জানান দিয়ে গেলেন। রিয়াদ ক্রাইসিস ম্যান। তাকে যাচাই করতে হবে পরিস্থিতি দিয়ে, পরিসংখ্যান দিয়ে নয়। এই মূহুর্তে টেস্ট ফরম্যাটকে বিদায় জানালেন সক্ষমতার সর্বোচ্চ প্রমাণ দিয়েই। এ বিদায় মাথা উঁচু করে বিদায়। অবজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার জবাব দিয়ে বিদায়। সবাই এমন পরিপক্ব সিদ্ধান্ত নিতে জানেনা। রিয়াদ নিয়েছেন। আবেগের বশে হলেও নিয়েছেন। তাই এ সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানানো উচিত সমর্থকদেরও। তাই এই বিদায়কে আবেগ দিয়ে নয়, পেশাদারিত্বের জায়গা থেকে শুভকামনা। 

সবশেষ প্রশ্ন ক্রিকেটের নীতিনির্ধারকদের কাছে... রিয়াদ যদি আবেগের বশে অবজ্ঞাকে মেনে নিতে না পেরে প্রাথমিকভাবে দলের সতীর্থ, কোচ, ম্যানেজারদের সাথে অবসরের কথা জানিয়ে থাকেন! তবে সেটা মিটিং থেকে বেরিয়ে গণমাধ্যমে কিভাবে এলো ? কতটুকু পেশাদার তাহলে নীতিনির্ধারকেরা এই প্রশ্ন তো থেকেই যায়। রিয়াদ তো পরামর্শের জন্যেই আলোচনা করতে পারেন সবার সাথে। গণমাধ্যমে প্রকাশ করে এই সুযোগে রিয়াদকে পরোক্ষভাবে বাদ দেওয়ার ফন্দি নয়তো এটি ? হতেও তো পারে। দেশের ক্রিকেটের নীতিনির্ধারকদের উপর ভরসা তো সমর্থকরা হারিয়েছে বহু আগেই। ক্রিকেটারদের আন্দোলন তাদের অবস্থানও পরিষ্কার করে দিয়েছে। গণমাধ্যমে ছড়িয়ে যাওয়ার ফলে, রিয়াদ যদি এখন আত্মসম্মানের কথা ভেবে প্রাথমিক ভাবনাকে চূড়ান্ত করে অবসরের ঘোষণা দেন তবে নীতিনির্ধারকদের বিবেকে পচন যে ধরেছে, তা থেকে দূর্গন্ধ বের হতেও আর দেরি নেই।

'মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ' আপনি আমাদের কাছে বরাবরই একজন কালজয়ী ক্রিকেটার ছিলেন। আপনার প্রত্যাবর্তন ও বিদায় দুটোই 'রাজসিক' হয়েছে।