• ফুটবল

Ralf Rangnick - The pioneer of modern German football

পোস্টটি ৪৭৯ বার পঠিত হয়েছে
'আউটফিল্ড’ একটি কমিউনিটি ব্লগ। এখানে প্রকাশিত সব লেখা-মন্তব্য-ছবি-ভিডিও প্যাভিলিয়ন পাঠকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজ উদ্যোগে করে থাকেন; তাই এসবের সম্পূর্ণ স্বত্ব এবং দায়দায়িত্ব লেখক ও মন্তব্য প্রকাশকারীর নিজের। কোনো ব্যবহারকারীর মতামত বা ছবি-ভিডিওর কপিরাইট লঙ্ঘনের জন্য প্যাভিলিয়ন কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না। ব্লগের নীতিমালা ভঙ্গ হলেই কেবল সেই অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবেন।

Ralf Rangnick, যাকে আধুনিক জার্মান ফুটবলের অন্যতম অগ্রদূত, পিতা বলা হয়। কিন্তু তার খেলোয়াড়ি এবং কোচিং ক্যারিয়ারে বিগ জায়ান্টদের কোচিং না করানো কিংবা বড় কোনো ট্রফি না জেতায় তার নাম মিডিয়া অথবা ফুটবল ফ্যান সর্বোপরি ফুটবল ওয়ার্ল্ডে তেমনভাবে উচ্চারিত হয় না।কিন্তু এই পর্দার আড়ালে থেকেই নিরবে নিভৃতে রেখে গেছেন অসামান্য অবদান। যারা জার্মান ফুটবলের আপাদমস্তক ফলো করেন কিংবা ডিপলি খুঁটিনাটি বিষয় জানার চেষ্টা করেন তারা জানেন Rangnaick এর অবদান, তার মর্ম, এবং কোচ হিসেবে কতটুকু কার্যকর ইত্যাদি বিষয়। জার্মানিতে উনাকে ' প্রফেসর ' নামে ডাকা হয়!

Rangnick এর জন্ম  ১৯৫৮ সালের ২৯ শে  জুন জার্মানিতে। তার জন্ম এবং বেড়ে উঠা জার্মানির Backnang শহরে যেটি স্টুটগার্ড শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে। তার খেলোয়াড়ি জীবন শুরু হয় ১৮ বছর বয়সে Stuttgart II  এর হয়ে। M তিনি University of Stuttgart এ অধ্যয়নরত ছিলেন।
এর পরবর্তীতে তিনি  university of Sussex এ পড়াশোনা করার সময়ে southwick নামে একটি ক্লাবে খেলেন।

খেলোয়াড়ি জীবনে ডিপ মিডফিল্ড পজিশনে খেলা Rangnaick প্লেয়ার হিসেবে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে না পারলেও প্লেয়িং লাইফের একদম আর্লি টাইম থেকেই প্লেয়ার-ম্যানেজার হিসেবে নিজের স্ট্রেটিজিক ক্যাপাবিলিটি দেখাতে থাকেন। যার ফলপ্রসূ  মাত্র ২৫ বছর বয়সে জার্মান ক্লাব FC Viktoria Backnang এর ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ পান। উল্লেখ্য, Rangnaick তখনও তার প্লেয়িং ক্যারিয়ারের ইতি টানেন নি।  Stuttgart II এবং southwick ছাড়াও তিনি  FC Viktoria Backnang ও TSV Lippoldsweiler ক্লাবের হয়ে খেলেছিলেন।item_1_6980

ফুটবলার হিসেবে বুট জোড়া ১৯৮৮ সালে একেবারে তুলে রাখলেও কোচিং ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল সেই ফুটবলার থাকা কালীন সময় থেকেই। FC Viktoria Backnang তে ২ বছর প্লেয়ার ম্যানেজার থাকার পর ১৯৮৫ সালে তিনি তার শৈশবের ক্লাব Stuttgart II এ ফিরেন কোচ হিসেবে।সেখানে দুইবছর কাটানোর পর আবার প্লেয়ার ম্যানেজার হিসেবে যোগ দেন TSV Lippoldsweiler এ। এখানেই মূলত তার খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানেন। পরবর্তীতে একদম পুরোদমে কোচ হিসেবে যোগ দেন SC Korb এ। ১৯৮৮ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত কোচিং করানোর পর ১৯৯০ সালে স্টুটগার্ডের বয়সভিত্তিক দলের কোচ হিসেবে নিয়োগ পান। তার কোচিং ক্যারিয়ার এবং খেলোয়াড়ি জীবনের সিংহভাগ জুড়ে আছে স্টুউটগার্ডের নাম যেখানে তিনি বিভিন্ন সময়ে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত ছিলেন।item_3_7155 

এর কয়েকবছর পর তিনি Ulm 1846 ক্লাবের হয়ে নিজের কোচিং ক্যারিয়ারের প্রথম শিরোপা জয় করেন। এখানেই তার সাথে পরিচয় হয় বর্তমান চেলসির কোচ থমাস তুখেলের সাথে। ইঞ্জুরির কারণে অকালে খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানা তুখেল কে উলমের বয়সভিত্তিক কোচ হিসেবে নিয়োগ দেবার পেছনে অন্যতম অবদান আছে রাঙ্গনিকের।https___bucketeer-e05bbc84-baa3-437e-9518-adb32be77984.s3.amazonaws.com_public_images_52f67424-d554-4af7-a1c3-efaf6f86c2ef_1024x768 Ragnaick এরপর ১৯৯৯ সালে Stuttgart মূল দলের চেয়ারে বসেন যেখানে তিনি ২০০০ সালে  UEFA Intertoto Cup জিতেন। এর ঠিক একবছর পর দলের বাজে ফর্মের কারণে বরখাস্ত হোন। 1492164830-ralf-rangnick-stuttgart-1jee (1)সেখান থেকে পরবর্তীতে যথাক্রমে Hannover ( তৎকালীন জার্মান সেকেন্ড টায়ারের দল) এবং টপ টায়ারের শালকে 'র কোচ হিসেবে নিয়োগ পান। এখানে উল্লেখ্য যে, তিনি Hannover এর হয়ে 2. bundesliga শিরোপা জয় করে দলকে প্রথম টায়ারে উন্নীত করেন।regular-16-9 (1) 

২০০৬ সালে শালকে থেকে তৎকালীন তৃতীয় সারির দল 1899 Hoffenheim এ আসেন এবং এখানেও দলকে বুন্দেসলিগাতে প্রমোট করেন। মূলত হোফেনহেইমে থাকাকালীন সময় থেকেই জার্মান ফুটবলে এক রিভুলেশিনারি চেঞ্জ আনতে শুরু করেন। Hoffenheim থেকে তিনি পুনরায় ফিরেন শালকে তে যেখানে পরবর্তী এক মৌসুমে ডিএফবি পোকাল কাপ জিতেন এবং চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমি ফাইনাল খেলেন।NINTCHDBPICT000692554187 

The famous Redbull model and its system:

‌২০১২ সালে তিনি বিশ্ব বিখ্যাত ড্রিংকস কোম্পানি রেডবুল এর স্পোর্টস সেক্টরের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন যেটি ' রেডবুল মডেল ' নামে পরিচিত। শুরুতে তিনি অস্ট্রিয়ান ক্লাব সালজবর্গ এবং জার্মান চতুর্থ সারির দল Leipzig এর স্পোর্টিং ডিরেক্টর হিসেবে কাজ শুরু করেন। তখন সালজবার্গ প্রায় নিয়মিত লিগ জিতলেও তাদের দলটি এতোটা গুছানো ছিলো না কেননা দলের অধিকাংশ প্লেয়াররাই ছিলো বয়স্ক যাদের নিয়ে পরবর্তীতে পরিকল্পনা করাও হবে একরকম সুইসাইডাল ডিসিশন।  রাঙ্গনিক দায়িত্বগ্রহণের পর সর্বপ্রথম অস্ট্রিয়ান ফুটবলে প্রপার স্কাউটিং, প্লেয়ার ডেভেলপিং, স্কাউটিং ম্যানেজমেন্ট এবং প্লেয়ার সেলিং প্রসেস কে সালজবার্গের মাধ্যমে এক অনন্য পর্যায়ে নিয়ে আসেন। যার ফলস্বরূপ পরবর্তীতে সেখান থেকে Sadio Mane, Amadou Haidara,Minamino, Naby keita, patson daka, Dayot upamecano, Hintenger,  Hee Chang Hwang, Valentino Lazaro, Erling Haaland, Dominik Szoboszlai, Duje- caleta - car দের মতো অসংখ্য প্রতিভা বের হয়ে আসে যারা বর্তমানে ইউরোপের টপ লিগ গুলোতে মাঠ কাপাচ্ছে। সালজবার্গে এইসব ইয়াং প্লেয়ার রিক্রুটমেন্টের মূল উদ্দেশ্য ছিল ক্লাবকে আবার নতুন রূপে ঢেলে সাজানো এবং ক্লাবের প্লেয়ারদের গড় বয়স কমানো যেটা  রাঙ্গনাইক নিজেই পরবর্তীতে বলেছিলেন। সালজবার্গের একই প্রজেক্ট তিনি বাস্তবায়ন করেন জার্মানিতে লাইপজিগের হয়ে। তখন তিনি এবং তার দলের সদস্যরা সেকেন্ড টায়ার ,থার্ড টায়ারে খেলা তরুণ প্লেয়ার দের স্কাউট করতেন এবং তাদের যথাসম্ভব দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করতেন। তার এই প্রসেসের সবচেয়ে ভাইটাল পার্ট হচ্ছে ' প্লেয়ার ডেভেলপিং '। ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, লিগ থেকে স্কাউট করে আনা ইয়াং পোটেনশিয়াল ট্যালেন্টগুলোর স্কিল  ডেভেলাপ করার মাধ্যমে পুরো প্রসেসটা পরিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতেন।  রেডবুলের মালিকানাধীন মোট ৪ টি ক্লাব - নিউ ইয়র্ক রেডবুল, রেডবুল ব্রাগন্টিনো, রেডবুল লাইপজিক এবং রেড বুল সালজবার্গ শুধু তাদের স্ব স্ব লিগে কম্পিট করেনা, তার পাশাপাশি স্কাউটিং সিস্টেমের মাধ্যমে এইসব অঞ্চল থেকে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করে আনে এবং তাদের ভালো দামে বিক্রি করে ক্লাবের তথা পুরো কোম্পানির আর্থিক অবস্থা উন্নতি সাধন ও স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে। এই পুরো আইডিয়া/ সিস্টেম এর পরিচায়ক এই জার্মান জেন্টেলম্যান। এই মডেলের মাধ্যমে রেড বুল ক্লাবগুলোর ভ্যালু মাত্র কয়েকবছরে ১২০ মিলিয়ন থেকে ১.২ বিলিয়নে গিয়ে দাঁড়ায়! যেটা নিঃসন্দেহে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। এই মডেলের সবচেয়ে বড় ক্লাব হচ্ছে বর্তমানে RB Leipzig যাদের মার্কেট ভ্যালু প্রায় ২৮০ মিলিয়নের উপরে।redbull-lead-pic

তার আমলেই রেডবুল লাইপজিগ গড়েছে এক অবিশ্বাস্য কৃতিত্ব। টানা ৪ বছরে ৪ টি প্রমোশন পেয়ে লাইপজিগ জার্মান টপ টায়ারে আসে। সেখান থেকে ইউরোপা লীগ তার পর চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমি ফাইনাল - এইসব কিছু যেনো এক স্বপ্নের মতো। ২০১৫-১৬ এবং ২০১৮-২০১৯ এই দুই দফা লাইপজিগের কোচ ছিলেন তিনি।19493800_304

Tactical philosophy:

Rangnick তার কোচিং ক্যারিয়ারের অধিকাংশ সময়ে ৪-৪-২ ফরমেশন ব্যাবহার করেছেন যেটা শুধু কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ ছিলো। তার আদতে তিনি ৪-৪-২ কে ৪-২-২-২ তে কনভার্ট করেন যেখানে দুইজন ফরোয়ার্ডের পেছনে দুইজন অফেন্সিভ মিডফিল্ডার একটু wide পজিশনে থাকে। মূলত প্রেসিংয়ের জন্যে তারা মাঠের দুইপাশের পাশাপাশি সেন্ট্রাল পজিশনেও মুভ করেন । এরপর এই দুই অফেন্সিভ মিডফিল্ডারের পেছনে অর্থাৎ ব্যাক ফোরের সামনে থাকে ২ জন সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার। যারা বল বিল্ডআপ এবং প্রেসিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।leipziglineup


এই সিস্টেমের সদৃশ ৪-৪-২ এর আরেকটি মডেল আছে যেখানে মিডফিল্ডের শেপ ডায়মন্ডের মতো থেকে। এই মডেলে সামনে একজন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার থাকে এবং পেছনে একজন ডিপ লাইনে থাকে। আর দুইপাশে দুইজন মিডফিল্ডার থাকে। এটি মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে টিম প্লেয়িং যাতে সেন্ট্রালি ফোকাসড থাকে সাথে প্রেসিং ও।Association_football_4-4-2_diamond_formation.svg

লাইপজিগে ৪-৪-২ ডায়মন্ড শেপের পাশাপাশি ৫-৩-২/৩-৫-২ ফরমেশনে দলকে খেলিয়েছেন। এই সিস্টেমে দুই পাশের দুই উইংব্যাক খুব বেশি ওভারল্যাপিং করে মাঝ মাঠে তিনজন মিডফিল্ডার থাকে যাদের একজন ডিপ রোল প্লে করে। বাকি দুইজন মিডফিল্ডার প্রেসিংয়ের জন্যে মুভ করতে থাকে। ফরমেশন যেকোনো দলে যাই হোক না কেনো, রাঙ্গনিকের ফিলোসফি একই থাকে - বল সেন্ট্রালি ফোকাসড, প্রেসিং এবং ডিফেন্ড করে দুইভাবে - সেলফ ওরিয়েন্টেড ও বল ওরিয়েন্টেড ভাবে।flat-3-5-2-1 

Gegenpressing - the new dimension of pressing system in football

প্রেসিংয়ের মাধ্যমে মূলত প্রতিপক্ষের যে প্লেয়ারের পায়ে বল থাকে তার সামনে নিজ দলের প্লেয়ারদের সাহায্যে পাসিং লেন কাট এবং ডিফেন্ডের মাধ্যমে বল নিজের দখলে নেওয়াকে বুঝায়। প্রেসিং একাধিক প্লেয়ার মিলে প্রতিপক্ষ কে করা যায় আবার one to one ও করা যায়। সেই ক্ষেত্রে আশেপাশের প্লেয়াররা প্রতিপক্ষ কে ম্যান টু ম্যান মার্ক করে এবং একজন অ্যাডিশনাল প্লেয়ার বল লাইন কাট করবার দায়িত্বে থাকে।press-trap-liverpool এই নরমাল প্রেসিং সিস্টেমের পাশাপাশি Rangnick আরেকটি পদ্ধতি যোগ করেন, সেটা হচ্ছে গেগেনপ্রেসিং। এটি এমন একটি সিস্টেম যেখানে প্রতিপক্ষকে খুব হাই লাইনে প্রেস করা হয় এবং বল লুজ করা মাত্রই নরমাল প্রেসিংয়ের মাধ্যমে পুনরায় বল পজেশন নিজের দখলে নিতে হয়। গেগেনপ্রেসিংয়ে প্লেয়াররা হাই লাইন পজিশনে থাকে, এই ক্ষেত্রে মিডের পাশাপাশি ফ্রন্ট লাইনের প্লেয়ার + ফুলব্যাকদের ও প্রেসিংয়ে বেশি ইনবলভ হতে হয়। বল লুজিং এর পরের ট্রানজিশনে পজিশন মেইনটেইন করে আবার মুহূর্তের মধ্যে প্রেসিং শুরু করতে হয়।leipizig-horizontal-press

Rangnick কে মডার্ণ ফুটবলের এই গেগেনপ্রেসিং এর গডফাদার বলা হয়। এই সিস্টেম ফলো করে সফল হয়েছেন ক্লপ, নাগেলসম্যান, টুখেল, ফ্লিক সহ অনেক কোচ। তার ওভারঅল ফিলোসফি, ম্যান ম্যানেজমেন্ট, স্কাউটিং সিষ্টেম, প্লেয়ার ডেভেলপিং প্রসেস জার্মান এবং মডার্ণ ফুটবলে অনেক বড় প্রভাব রেখেছে।4d066507-8513-4a3e-807b-047a7bddbec6 

তিনি মূলত যেকোনো ক্লাবে একটু ফ্রিডম নিয়ে নিজের মতো কাজ করতে ভালোবাসেন যাতে তিনি তার নলেজ আর ফিলোসফি কে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেন। কিন্তু এরকম নির্বাহী ক্ষমতা আজকাল অধিকাংশ বড় ক্লাবগুলো হস্তান্তর করতে অপারগতা প্রকাশ করায় তার কোচিং ক্লাবের লিস্টে বড় নাম যুক্ত হতে পারেনি। সর্বশেষ তিনি লোকোমোটিভ মস্কোর স্পোর্টিং ডিরেক্টর পদে দায়িত্বরত ছিলেন। এবং অনেকটা চমক হিসেবে তাকে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে নিয়োগ দেবার দ্বারপ্রান্তে ম্যানচেষ্টার ইউনাইটেড। _120604513_untitledএখন দেখার বিষয় হচ্ছে তার এই বিখ্যাত ফিলোসফি এবং ট্যাকটিক্স দিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে কম্পিটিটিভ লিগে কতটুকু প্রভাব রাখতে পারেন সিজনের বাকি সময়টুকু!